পূর্বকথা ও বাল্যজীবন
ভূমিকা

§ অবতরণিকা
ধর্মই ভারতের সর্বস্ব
মহাপুরুষসকলের ভারতে প্রতিনিয়ত জন্মগ্রহণই ঐরূপ হইবার কারণ
ঈশ্বরের প্রত্যক্ষ দর্শনের উপরে ভারতের ধর্ম প্রতিষ্ঠিত - উহার প্রমাণ
ভারতে অবতারবিশ্বাস উপস্থিত হইবার কারণ ও ক্রম। সাংখ্যদর্শনোক্ত 'কল্পনিয়ামক ঈশ্বর'
ভক্তিযুগের বিরাট ব্যক্তিত্ববান ঈশ্বর
অবতারবিশ্বাসের অন্য কারণ - গুরূপাসনা
বেদ এবং সমাধি-প্রসূত দর্শনের উপর অবতারবাদের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত
ঈশ্বরের করুণার উপলব্ধি হইতেই পৌরাণিক যুগে অবতারবাদপ্রচার
অবতারপুরুষের দিব্যস্বভাব সম্বন্ধে শাস্ত্রোক্তির সারসংক্ষেপ
অবতারপুরুষের অখণ্ড স্মৃতিশক্তি
অবতারপুরুষের নবধর্ম স্থাপন
অবতারপুরুষের আবির্ভাবকাল সম্বন্ধে শাস্ত্রোক্তি
বর্তমানকালে অবতারপুরুষের পুনরাগমন

§ প্রথম অধ্যায়: যুগ-প্রয়োজন
মানব বর্তমানকালে কতদূর উন্নত ও শক্তিশালী হইয়াছে
ঐ উন্নতি ও শক্তির কেন্দ্র পাশ্চাত্ত্য হইতে প্রাচ্যে ভাববিস্তার
পাশ্চাত্ত্য মানবের জীবন দেখিয়া ঐ উন্নতির ভবিষ্যৎ ফলাফল নির্ণয় করিতে হইবে
পাশ্চাত্ত্য মানবের উন্নতির কারণ ও ইতিহাস
আত্মবিজ্ঞান সম্বন্ধে পাশ্চাত্ত্য মানবের মূর্খতা উহার কারণ; এবং ঐজন্য তাহার মনের অশান্তি
পাশ্চাত্ত্যের ন্যায় উন্নতিলাভ করিতে হইলে স্বার্থপর ও ভোগলোলুপ হইতে হইবে
ভারতের প্রাচীন জাতীয় জীবনের ভিত্তি
উহা ধর্মে প্রতিষ্ঠিত ছিল বলিয়া ভোগ-সাধন লইয়া ভারতের সমাজে কখন বিবাদ উপস্থিত হয় নাই
পাশ্চাত্ত্যের ভারতাধিকার ও তাহার ফল
পাশ্চাত্ত্যভাবসহায়ে নির্জীব ভারতকে সজীব করিবার চেষ্টা ও তাহার ফল
ভারতের প্রাচীন জাতীয় জীবনের দোষগুণ-বিচার
পাশ্চাত্ত্যভাব-বিস্তারে ভারতের বর্তমান ধর্মগ্লানি
ঐ গ্লানি-নিবারণের জন্য ঈশ্বরের পুনরায় অবতীর্ণ হওয়া

§ দ্বিতীয় অধ্যায়: কামারপুকুর ও পিতৃপরিচয়
দরিদ্রগৃহে ঈশ্বরের অবতীর্ণ হইবার কারণ
শ্রীরামকৃষ্ণদেবের জন্মভূমি কামারপুকুর
কামারপুকুর অঞ্চলের পূর্ব সমৃদ্ধি ও বর্তমান অবস্থা
ঐ অঞ্চলে ৺ধর্মঠাকুরের পূজা
হালদারপুকুর, ভূতির খাল, আম্রকানন প্রভৃতির কথা
ভূরসুবোর মানিকরাজা
গড় মান্দারণ
উচালনের দীঘি ও মোগলমারির যুদ্ধক্ষেত্র
দেরে গ্রামের জমিদার রামানন্দ রায়ের কথা
দেরে গ্রামের মানিকরাম চট্টোপাধ্যায়
তৎপুত্র ক্ষুদিরাম চট্টোপাধ্যায়ের কথা
ক্ষুদিরামগৃহিণী শ্রীমতী চন্দ্রাদেবী
জমিদারের সহিত বিবাদে ক্ষুদিরামের সর্বস্বান্ত হওয়া
ক্ষুদিরামের দেরে গ্রাম পরিত্যাগ
সুখলাল গোস্বামীর আমন্ত্রণে ক্ষুদিরামের কামারপুকুরে আগমন ও বাস

§ তৃতীয় অধ্যায়: কামারপুকুরে ধর্মের সংসার
কামারপুকুরে আসিয়া ক্ষুদিরামের বানপ্রস্থের ন্যায় জীবনযাপন করিবার কারণ
অদ্ভুত উপায়ে ক্ষুদিরামের ৺রঘুবীরশিলা-লাভ
সাংসারিক কষ্টের মধ্যে ক্ষুদিরামের অবিচলতা ও ঈশ্বরনির্ভরতা। লক্ষ্মীজলায় ধান্যক্ষেত্র
ক্ষুদিরামের ঈশ্বরভক্তির বৃদ্ধি ও দিব্যদর্শনলাভ। প্রতিবেশিগণের তাঁহার প্রতি শ্রদ্ধা
শ্রীমতী চন্দ্রাদেবীকে প্রতিবেশিগণ যে চক্ষে দেখিত
ক্ষুদিরামের ভগিনী শ্রীমতী রামশীলার কথা
ক্ষুদিরামের ভ্রাতৃদ্বয়ের কথা
ক্ষুদিরামের ভাগিনেয় রামচাঁদ
ক্ষুদিরামের দেবভক্তির পরিচায়ক ঘটনা
রামকুমার ও কাত্যায়নীর বিবাহ
সুখলাল গোস্বামীর মৃত্যু ইত্যাদি
ক্ষুদিরামের ৺সেতুবন্ধতীর্থদর্শন ও রামেশ্বর নামক পুত্রের জন্ম
রামকুমারের দৈবী শক্তি
ঐ শক্তির পরিচায়ক ঘটনাবিশেষ
ঐ শক্তির পরিচায়ক রামকুমারের স্ত্রীর সম্বন্ধীয় ঘটনা
ক্ষুদিরামের পরিবারস্থ সকলের বিশেষত্ব
চন্দ্রাদেবীর দিব্যদর্শন-সম্বন্ধীয় ঘটনা
ক্ষুদিরামের ৺গয়াতীর্থে গমন
ক্ষুদিরামের গয়া গমন সম্বন্ধে হৃদয়রাম কথিত ঘটনা
গয়াধামে ক্ষুদিরামের দেবস্বপ্ন
কামারপুকুরে প্রত্যাগমন

§ চতুর্থ অধ্যায়: চন্দ্রাদেবীর বিচিত্র অনুভব
অবতারপুরুষের আবির্ভাবকালে তাঁহার জনক-জননীর দিব্য অনুভবাদি সম্বন্ধে শাস্ত্রকথা
ঐ শাস্ত্রকথার যুক্তিনির্দেশ
সহজে বিশ্বাসগম্য না হইলেও ঐসকল কথা মিথ্যা বলিয়া ত্যাজ্য নহে
গয়া হইতে ফিরিয়া ক্ষুদিরামের চন্দ্রাদেবীর ভাব-পরিবর্তন দর্শন
চন্দ্রাদেবীর অপত্যস্নেহের প্রসারদর্শন
তদ্দর্শনে ক্ষুদিরামের চিন্তা ও সঙ্কল্প
চন্দ্রাদেবীর দেব-স্বপ্ন
শিবমন্দিরে চন্দ্রাদেবীর দিব্য দর্শন ও অনুভব
ঐসকল কথা কাহাকেও না বলিতে চন্দ্রাদেবীকে ক্ষুদিরামের সতর্ক করা
চন্দ্রাদেবীর পুনরায় গর্ভধারণ ও ঐকালে তাঁহার দিব্য-দর্শনসমূহ

§ পঞ্চম অধ্যায়: মহাপুরুষের জন্মকথা
চন্দ্রাদেবীর আশঙ্কা ও স্বামীর কথায় আশ্বাসপ্রাপ্তি
গদাধরের জন্ম
গদাধরের শুভ জন্ম-মুহূর্ত সম্বন্ধে জ্যোতিষশাস্ত্রের কথা
গদাধরের রাশ্যাশ্রিত নাম
গদাধরের জন্মকুণ্ডলী
গদাধরের জন্মপত্রিকার কিয়দংশ

§ ষষ্ঠ অধ্যায়: বাল্যকথা ও পিতৃবিয়োগ
রামচাঁদের গাভীদান
গদাধরের মোহিনীশক্তি
অন্নপ্রাশনকালে ধর্মদাস লাহার সাহায্য
চন্দ্রাদেবীর দিব্যদর্শন-শক্তির বর্তমান প্রকাশ
ঐ বিষয়ক ঘটনা - গদাধরকে বড় দেখা
গদাধরের কনিষ্ঠা ভগ্নী সর্বমঙ্গলা
গদাধরের বিদ্যারম্ভ
লাহাবাবুদের পাঠশালা
বালকের বিচিত্র চরিত্র সম্বন্ধে ক্ষুদিরামের অভিজ্ঞতা
ঐ বিষয়ক ঘটনা
গদাধরের শিক্ষার উন্নতি ও প্রসার
বালকের সাহস
বালকের অপরের সহিত মিলিত হইবার শক্তি
গদাধরের ভাবুকতার অসাধারণ পরিণাম
রামচাঁদের বাটীতে ৺দুর্গোৎসব
ক্ষুদিরাম ও রামকুমারের রামচাঁদের বাটীতে গমন
ক্ষুদিরামের ব্যাধি ও দেহত্যাগ

§ সপ্তম অধ্যায়: গদাধরের কৈশোরকাল
ক্ষুদিরামের মৃত্যুতে তৎপরিবারবর্গের জীবনে যে-সকল পরিবর্তন উপস্থিত হইল
ঐ ঘটনায় গদাধরের মনের অবস্থা
চন্দ্রাদেবীর প্রতি গদাধরের বর্তমান আচরণ
গদাধরের এই কালের চেষ্টা ও সাধুদিগের সহিত মিলন
সাধুদিগের সহিত মিলনে চন্দ্রাদেবীর আশঙ্কা ও তন্নিরসন
গদাধরের দ্বিতীয়বার ভাবসমাধি
গদাধরের সেঙাত গয়াবিষ্ণু
গদাধরের উপনয়নকালের বৃত্তান্ত
পণ্ডিতসভায় গদাধরের প্রশ্ন-সমাধান
গদাধরের ধর্মপ্রবৃত্তির পরিণতি ও তৃতীয়বার ভাবসমাধি
গদাধরের পুনঃপুনঃ ভাবসমাধি
গদাধরের বিদ্যার্জনে উদাসীনতার কারণ
গদাধরের শিক্ষা এখন কতদূর অগ্রসর হইয়াছিল
রামেশ্বরের ও সর্বমঙ্গলার বিবাহ
গর্ভবতী হইয়া রামকুমার-পত্নীর স্বভাবের পরিবর্তন
রামকুমারের সাংসারিক অবস্থার পরিবর্তন
রামকুমার-পত্নীর পুত্র-প্রসবান্তে মৃত্যু

§ অষ্টম অধ্যায়: যৌবনের প্রারম্ভে
রামকুমারের কলিকাতায় টোল খোলা
রামকুমার-পত্নীর মৃত্যুতে পারিবারিক পরিবর্তন
রামেশ্বরের কথা
গদাধরের সম্বন্ধে রামেশ্বরের চিন্তা
গদাধরের মনের বর্তমান অবস্থা ও কার্যকলাপ
পল্লীরমণীগণের নিকটে গদাধরের পাঠ ও সঙ্কীর্তনাদি
পল্লীরমণীগণের গদাধরের প্রতি ভক্তি ও বিশ্বাস
রমণীবেশে গদাধর
সীতানাথ পাইনের পরিবারবর্গের সহিত গদাধরের সৌহৃদ্য
দুর্গাদাস পাইনের অহঙ্কার চূর্ণ হওয়া
বণিকপল্লীর রমণীগণের গদাধরের প্রতি ভক্তি-বিশ্বাস
গদাধরের সম্বন্ধে শ্রীমতী রুক্মিণীর কথা
পল্লীর পুরুষসকলের গদাধরের প্রতি অনুরক্তি
গদাধরের অর্থকরী বিদ্যার্জনে উদাসীনতার কারণ
গদাধরের হৃদয়ের প্রেরণা
গদাধরের পাঠশালাপরিত্যাগ ও বয়স্যদিগের সহিত অভিনয়
গদাধরের চিত্রবিদ্যা ও মূর্তিগঠনে উন্নতি
গদাধরের সম্বন্ধে রামকুমারের চিন্তা ও তাহাকে কলিকাতায় আনয়ন

পরিশিষ্ট

সাধকভাব
গ্রন্থ-পরিচয়

§ অবতরণিকা: সাধকভাবালোচনার প্রয়োজন
আচার্যদিগের সাধকভাব লিপিবদ্ধ পাওয়া যায় না
তাঁহারা কোনকালে অসম্পূর্ণ ছিলেন, এ কথা ভক্তমানব ভাবিতে চাহে না
ঐরূপ ভাবিলে ভক্তের ভক্তির হানি হয়, একথা যুক্তিযুক্ত নহে
ঠাকুরের উপদেশ - ঐশ্বর্য-উপলব্ধিতে 'তুমি-আমি'-ভাবে ভালবাসা থাকে না, কাহারও ভাব নষ্ট করিবে না
ভাব নষ্ট করা সম্বন্ধে দৃষ্টান্ত - কাশীপুরের বাগানে শিবরাত্রির কথা
নরলীলায় সমস্ত কার্য সাধারণ নরের ন্যায় হয়
দৈব ও পুরুষকার সম্বন্ধে ঠাকুরের মত
ঐ বিষয়ে শ্রীবিষ্ণু ও নারদ-সংবাদ
মানবের অসম্পূর্ণতা স্বীকার করিয়া অবতারপুরুষের মুক্তির পথ আবিষ্কার করা
মানব বলিয়া না ভাবিলে অবতারপুরুষের জীবন ও চেষ্টার অর্থ পাওয়া যায় না
বদ্ধমানব মানবভাবে মাত্রই বুঝিতে পারে
ঐজন্য মানবের প্রতি করুণায় ঈশ্বরের মানবদেহধারণ, সুতরাং মানব ভাবিয়া অবতারপুরুষের জীবনালোচনাই কল্যাণকর

§ প্রথম অধ্যায়: সাধক ও সাধনা
সাধনা সম্বন্ধে সাধারণ মানবের ভ্রান্ত ধারণা
সাধনার চরম ফল সর্বভূতে ব্রহ্মদর্শন
ভ্রম বা অজ্ঞানবশতঃ সত্য প্রত্যক্ষ হয় না - অজ্ঞানাবস্থায় থাকিয়া অজ্ঞানের কারণ বুঝা যায় না
জগৎকে ঋষিগণ যেরূপ দেখিয়াছেন তাহাই সত্য - উহার কারণ
অনেকের একরূপ ভ্রম হইলেও ভ্রম কখন সত্য হয় না
বিরাট মনে জগৎরূপ কল্পনা বিদ্যমান বলিয়াই মানবসাধারণের একরূপ ভ্রম হইতেছে - বিরাট মন কিন্তু ঐজন্য ভ্রমে আবদ্ধ নহে
জগৎরূপ কল্পনা দেশকালের বাহিরে বর্তমান - প্রকৃতি অনাদি
দেশকালাতীত জগৎকারণের সহিত পরিচিত হইবার চেষ্টাই সাধনা
'নেতি, নেতি' ও 'ইতি, ইতি' সাধনপথ
'নেতি, নেতি' পথের লক্ষ্য - 'আমি কোন্ পদার্থ' তদ্বিষয়ে সন্ধান করা
নির্বিকল্প সমাধি
'ইতি, ইতি' পথে নির্বিকল্প সমাধিলাভের বিবরণ
অবতারপুরুষে দেব ও মানব উভয় ভাব বিদ্যমান থাকায় সাধনকালে তাঁহাদিগকে সিদ্ধের ন্যায় প্রতীত হয় - দেব ও মানব উভয়ভাবে তাঁহাদিগের জীবনালোচনা আবশ্যক

§ দ্বিতীয় অধ্যায়: অবতারজীবনে সাধকভাব
ঠাকুরে দেব ও মানবভাবের মিলন
সকল অবতারপুরুষেই ঐরূপ
অবতারপুরুষে স্বার্থসুখের বাসনা থাকে না
তাঁহাদিগের করুণা ও পরার্থে সাধনভজন
ঐ বিষয়ে দৃষ্টান্ত - 'তিন বন্ধুর আনন্দকানন-দর্শন' সম্বন্ধে ঠাকুরের গল্প
অবতারপুরুষদিগকে সাধারণ মানবের ন্যায় সংযম-অভ্যাস করিতে হয়
মনের অনন্ত বাসনা
বাসনাত্যাগ সম্বন্ধে ঠাকুরের প্রেরণা
ঐ বিষয়ে স্ত্রীভক্তদিগকে উপদেশ
অবতারপুরুষদিগের সূক্ষ্ম বাসনার সহিত সংগ্রাম
অবতারপুরুষের মানবভাব সম্বন্ধে আপত্তি ও মীমাংসা
ঐ কথার অন্যভাবে আলোচনা
উচ্চতর ভাবভূমি হইতে জগৎ সম্বন্ধে ভিন্ন উপলব্ধি
অবতারপুরুষদিগের শক্তিতে মানব উচ্চভাবে উঠিয়া তাঁহাদিগকে মানবভাব-পরিশূন্য দেখে
অবতারপুরুষদিগের মনের ক্রমোন্নতি - জীব ও অবতারের শক্তির প্রভেদ
অবতার - দেবমানব, সর্বজ্ঞ
বহির্মুখী বৃত্তি লইয়া জড়বিজ্ঞানের আলোচনায় জগৎকারণের জ্ঞানলাভ অসম্ভব
অবতারপুরুষদিগের আশৈশব ভাবতন্ময়ত্ব
ঠাকুরের ছয় বৎসর বয়সে প্রথম ভাবাবেশের কথা
৺বিশালাক্ষী দর্শন করিতে যাইয়া ঠাকুরের দ্বিতীয় ভাবাবেশের কথা
শিবরাত্রিকালে শিব সাজিয়া ঠাকুরের তৃতীয় ভাবাবেশ

§ তৃতীয় অধ্যায়: সাধকভাবের প্রথম বিকাশ
ঠাকুরের বাল্যজীবনে ভাবতন্ময়তার পরিচায়ক অন্যান্য দৃষ্টান্ত
ঠাকুরের জীবনের ঐ সকল ঘটনার ছয় প্রকার শ্রেণীনির্দেশ
অদ্ভুত স্মৃতিশক্তির দৃষ্টান্ত
দৃঢ়প্রতিজ্ঞার দৃষ্টান্ত
অসীম সাহসের দৃষ্টান্ত
রঙ্গরসপ্রিয়তার দৃষ্টান্ত
ঠাকুরের মনের স্বাভাবিক গঠন
সাধকভাবের প্রথম প্রকাশ - 'চালকলা-বাঁধা বিদ্যা শিখিব না, যাহাতে যথার্থ জ্ঞান হয়, সেই বিদ্যা শিখিব'
কলিকাতায় ঝামাপুকুরে রামকুমারের টোলে বাসকালে ঠাকুরের আচরণ
নিজ ভ্রাতার মানসিক প্রকৃতি সম্বন্ধে রামকুমারের অনভিজ্ঞতা
রামকুমারের সাংসারিক অবস্থা

§ চতুর্থ অধ্যায়: দক্ষিণেশ্বর কালীবাটী
রামকুমারের কলিকাতায় টোল খুলিবার কারণ ও সময়নিরূপণ
রাণী রাসমণি
রাণীর দেবীভক্তি
রাণী রাসমণির ৺কাশী যাইবার উদ্যোগকালে প্রত্যাদেশলাভ
রাণীর দেবীমন্দির নির্মাণ
রাণীর ৺দেবীর অন্নভোগ দিবার বাসনা
পণ্ডিতদিগের ব্যবস্থাগ্রহণে ঐ বাসনাপূরণের অন্তরায়
রামকুমারের ব্যবস্থাদান
মন্দিরোৎসর্গ সম্বন্ধে রাণীর সঙ্কল্প
রামকুমারের উদারতা
রাণী রাসমণির উপযুক্ত পূজকের অন্বেষণ
রাণীর কর্মচারী সিহড় গ্রামের মহেশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পূজক দিবার ভারগ্রহণ
রাণীর রামকুমারকে পূজকের পদগ্রহণে অনুরোধ
রাণীর ৺দেবীপ্রতিষ্ঠা
প্রতিষ্ঠার দিনে ঠাকুরের আচরণ
কালীবাটীর প্রতিষ্ঠা সম্বন্ধে ঠাকুরের কথা
ঠাকুরের আহার সম্বন্ধে নিষ্ঠা
ঠাকুরের গঙ্গাভক্তি
ঠাকুরের দক্ষিণেশ্বরে বাস ও স্বহস্তে রন্ধন করিয়া ভোজন
অনুদারতা ও ঐকান্তিক নিষ্ঠার প্রভেদ

§ পঞ্চম অধ্যায়: পূজকের পদগ্রহণ
প্রথম দর্শন হইতে মথুরবাবুর ঠাকুরের প্রতি আচরণ ও সঙ্কল্প
ঠাকুরের ভাগিনেয় হৃদয়রাম
হৃদয়ের আগমনে ঠাকুর
ঠাকুরের প্রতি হৃদয়ের ভালবাসা
ঠাকুরের আচরণ সম্বন্ধে যাহা হৃদয় বুঝিতে পারিত না
ঠাকুরের গঠিত শিবমূর্তিদর্শনে মথুরের প্রশংসা
চাকরি করা সম্বন্ধে ঠাকুর
চাকরি করিতে বলিবে বলিয়া ঠাকুরের মথুরের নিকট যাইতে সঙ্কোচ
ঠাকুরের পূজকের পদগ্রহণ
৺গোবিন্দজীর বিগ্রহ ভগ্ন হওয়া
ভগ্নবিগ্রহের পূজা সম্বন্ধে ঠাকুর জয়নারায়ণবাবুকে যাহা বলেন
ঠাকুরের সঙ্গীতশক্তি
প্রথম পূজাকালে ঠাকুরের দর্শন
ঠাকুরকে কার্যদক্ষ করিবার জন্য রামকুমারের শিক্ষাদান
কেনারাম ভট্টাচার্যের নিকট ঠাকুরের শাক্তীদীক্ষা-গ্রহণ
রামকুমারের মৃত্যু

§ ষষ্ঠ অধ্যায়: ব্যাকুলতা ও প্রথম দর্শন
ঠাকুরের এই কালের আচরণ
হৃদয়ের তদ্দর্শনে চিন্তা ও সঙ্কল্প
ঐ সময়ে পঞ্চবটী প্রদেশের অবস্থা
হৃদয়ের প্রশ্ন, 'রাত্রে জঙ্গলে যাইয়া কি কর?'
ঠাকুরকে হৃদয়ের ভয় দেখাইবার চেষ্টা
হৃদয়কে ঠাকুরের বলা - 'পাশমুক্ত হইয়া ধ্যান করিতে হয়'
শরীর ও মন উভয়ের দ্বারা ঠাকুরের জাত্যভিমাননাশের, 'সমলোষ্ট্রাশ্মকাঞ্চন' হইবার এবং সর্বজীবে শিবজ্ঞানলাভের জন্য অনুষ্ঠান
ঠাকুরের ত্যাগের ক্রম
ঐ ক্রম সম্বন্ধে 'মনঃকল্পিত সাধনপথ' বলিয়া আপত্তি ও তাহার মীমাংসা
ঠাকুর এই সময়ে যেভাবে পূজাদি করিতেন
ঠাকুরের এই কালের পূজাদি কার্য সম্বন্ধে মথুর প্রমুখ সকলে যাহা ভাবিত
ঈশ্বরানুরাগের বৃদ্ধিতে ঠাকুরের শরীরে যে সকল বিকার উপস্থিত হয়
শ্রীশ্রীজগদম্বার প্রথম দর্শনলাভের বিবরণ - ঠাকুরের ঐ সময়ের ব্যাকুলতা

§ সপ্তম অধ্যায়: সাধনা ও দিব্যোন্মত্ততা
প্রথম দর্শনের পরের অবস্থা
ঠাকুরের ঐ সময়ের শারীরিক ও মানসিক প্রত্যক্ষ এবং দর্শনাদি
প্রথম দর্শনলাভে ঠাকুরের প্রত্যেক চেষ্টায় ও ভাবে কিরূপ পরিবর্তন উপস্থিত হয়
ঠাকুরের ইতিপূর্বের পূজা দর্শনাদির সহিত এই সময়ের ঐ সকলের প্রভেদ
ঠাকুরের এই সময়ের পূজাদি সম্বন্ধে হৃদয়ের কথা
ঠাকুরের রাগাত্মিকা পূজা দেখিয়া কালীবাটীর খাজাঞ্চীপ্রমুখ কর্মচারীদিগের জল্পনা ও মথুরবাবুর নিকট সংবাদপ্রেরণ
ঠাকুরের পূজা দেখিতে মথুরবাবুর আগমন ও তদ্বিষয়ে ধারণা
প্রবল ঈশ্বরপ্রেমে ঠাকুরের রাগাত্মিকা ভক্তিলাভ - ঐ ভক্তির ফল
ঠাকুরের কথা - রাগাত্মিকা বা রাগানুগা ভক্তির পূর্ণপ্রভাব কেবল অবতারপুরুষদিগের শরীর-মন ধারণ করিতে সমর্থ
ঐ ভক্তিপ্রভাবে ঠাকুরের শারীরিক বিকার ও তজ্জনিত কষ্ট, যথা গাত্রদাহ - প্রথম গাত্রদাহ, পাপপুরুষ দগ্ধ হইবার কালে; দ্বিতীয়, প্রথম দর্শনলাভের পর ঈশ্বরবিরহে; তৃতীয় মধুরভাব-সাধনকালে
পূজা করিতে করিতে বিষয়কর্মের চিন্তার জন্য রাণী রাসমণিকে ঠাকুরের দণ্ডপ্রদান
ভক্তির পরিণতিতে ঠাকুরের বাহ্যপূজা ত্যাগ - এইকালে তাঁহার অবস্থা
পূজাত্যাগ সম্বন্ধে হৃদয়ের কথা এবং ঠাকুরের বর্তমান অবস্থা সম্বন্ধে মথুরের সন্দেহ
গঙ্গাপ্রসাদ সেন কবিরাজের চিকিৎসা
হলধারীর আগমন

§ অষ্টম অধ্যায়: প্রথম চারি বৎসরের শেষ কথা
সাধনকালে সময়নিরূপণ
ঐ কালের তিনটি প্রধান বিভাগ
সাধনকালে প্রথম চারি বৎসরে ঠাকুরের অবস্থা ও দর্শনাদির পুনরাবৃত্তি
ঐ কালে শ্রীশ্রীজগদম্বার দর্শনলাভ হইবার পরে ঠাকুরকে আবার সাধন কেন করিতে হইয়াছিল - গুরূপদেশ, শাস্ত্রবাক্য ও নিজকৃত প্রত্যক্ষের একতাদর্শনে শান্তিলাভ
ব্যাসপুত্র শুকদেব গোস্বামীর ঐরূপ হইবার কথা
ঠাকুরের সাধনার অন্য কারণ - স্বার্থে নহে, পরার্থে
যথার্থ ব্যাকুলতার উদয়ে সাধকের ঈশ্বরলাভ - ঠাকুরের জীবনে উক্ত ব্যাকুলতা কতদূর উপস্থিত হইয়াছিল
মহাবীরের পদানুগ হইয়া ঠাকুরের দাস্যভক্তিসাধনা
দাস্যভক্তি-সাধনকালে শ্রীশ্রীসীতাদেবীর দর্শনলাভ-বিবরণ
ঠাকুরের স্বহস্তে পঞ্চবটীরোপণ
ঠাকুরের হঠযোগ-অভ্যাস
হলধারীর অভিশাপ
উক্ত অভিশাপ কিরূপে সফল হইয়াছিল
ঠাকুরের সম্বন্ধে হলধারীর ধারণার পুনঃপুনঃ পরিবর্তনের কথা
নস্য লইয়া শাস্ত্রবিচার করিতে বসিয়াই হলধারীর উচ্চ ধারণার লোপ
৺কালীকে তমোগুণময়ী বলায় ঠাকুরের হলধারীকে শিক্ষাদান
কাঙ্গালীদিগের পাত্রাবশেষ ভোজন করিতে দেখিয়া হলধারীর ঠাকুরকে ভর্ৎসনা ও ঠাকুরের উত্তর
হলধারীর পাণ্ডিত্যে ঠাকুরের মনে সন্দেহের উদয় এবং শ্রীশ্রীজগদম্বার পুনর্দর্শন ও প্রত্যাদেশ-লাভ - 'ভাবমুখে থাক্'
হলধারী কালীবাটীতে কতকাল ছিলেন
ঠাকুরের দিব্যোন্মাদাবস্থা সম্বন্ধে আলোচনা
অজ্ঞ ব্যক্তিরাই ঐ অবস্থাকে ব্যাধিজনিত ভাবিয়াছিল, সাধকেরা নহে
এই কালের কার্যকলাপ দেখিয়া ঠাকুরকে ব্যাধিগ্রস্ত বলা চলে না
১২৬৫ সালে পানিহাটির মহোৎসবে বৈষ্ণবচরণের ঠাকুরকে প্রথম দর্শন ও ধারণা
ঠাকুরের এই কালের অন্যান্য সাধন - 'টাকা মাটি, মাটি টাকা'; অশুচিস্থান পরিষ্কার; চন্দন-বিষ্ঠায় সমজ্ঞান
পরিশেষে নিজ মনই সাধকের গুরু হইয়া দাঁড়ায় - ঠাকুরের মনের এই কালে গুরুবৎ আচরণের দৃষ্টান্ত: (১) সূক্ষ্মদেহে কীর্তনানন্দ
(২) নিজ শরীরের ভিতরে যুবক সন্ন্যাসীর দর্শন ও উপদেশ-লাভ
(৩) সিহড় যাইবার পথে ঠাকুরের দর্শন - উক্ত দর্শন সম্বন্ধে ভৈরবী ব্রাহ্মণীর মীমাংসা
উক্ত দর্শন হইতে যাহা বুঝিতে পারা যায়
ঠাকুরের দর্শনসমূহ কখন মিথ্যা হয় নাই
উক্ত বিষয়ে দৃষ্টান্ত - ১৮৮৫ খৃষ্টাব্দে শ্রীসুরেশচন্দ্র মিত্রের বাটীতে ৺দুর্গাপূজাকালে ঠাকুরের দর্শন-বিবরণ
রাণী রাসমণি ও মথুরবাবু ভ্রমধারণাবশতঃ ঠাকুরকে যেভাবে পরীক্ষা করেন

§ নবম অধ্যায়: বিবাহ ও পুনরাগমন
ঠাকুরের কামারপুকুরে আগমন
ঠাকুর উপদেবতাবিষ্ট হইয়াছেন বলিয়া আত্মীয়দিগের ধারণা
ওঝা আনাইয়া চণ্ড নামান
ঠাকুরের প্রকৃতিস্থ হইবার কারণ সম্বন্ধে তাঁহার আত্মীয়বর্গের কথা
ঐ কালে ঠাকুরের যোগ বিভূতির কথা
ঠাকুরকে প্রকৃতিস্থ দেখিয়া আত্মীয়বর্গের বিবাহদানের সঙ্কল্প
গদাধরের বিবাহে সম্মতিদানের কথা
বিবাহের জন্য ঠাকুরের পাত্রীনির্বাচন
বিবাহ
বিবাহের পরে শ্রীমতী চন্দ্রমণি এবং ঠাকুরের আচরণ
ঠাকুরের কলিকাতায় পুনরাগমন
ঠাকুরের দ্বিতীয়বার দিব্যোন্মাদ অবস্থা
চন্দ্রাদেবীর হত্যাদান
ঠাকুরের এই কালের অবস্থা
মথুরবাবুর ঠাকুরকে শিব-কালীরূপে দর্শন

§ দশম অধ্যায়: ভৈরবী-ব্রাহ্মণী-সমাগম
রাণী রাসমণির সাংঘাতিক পীড়া
রাণীর দিনাজপুরের সম্পত্তি দেবোত্তর করা ও মৃত্যু
শরীররক্ষা করিবার কালে রাণীর দর্শন
রাণী মৃত্যুকালে যাহা আশঙ্কা করেন তাহাই হইতে বসিয়াছে
মথুরবাবুর সাংসারিক উন্নতি ও দেবসেবার বন্দোবস্ত
মথুরবাবুর উন্নতি ও আধিপত্য ঠাকুরকে সহায়তা করিবার জন্য
ঠাকুরের সম্বন্ধে ইতরসাধারণের ও মথুরের ধারণা
ভৈরবী ব্রাহ্মণীর আগমন
প্রথম দর্শনে ভৈরবী ঠাকুরকে যাহা বলেন
ঠাকুর ও ভৈরবীর প্রথমালাপ
পঞ্চবটীতে ভৈরবীর অপূর্ব দর্শন
পঞ্চবটীতে শাস্ত্রপ্রসঙ্গ
ভৈরবীর দেবমণ্ডলের ঘাটে অবস্থানের কারণ
ঠাকুরকে ভৈরবীর অবতার বলিয়া ধারণা কিরূপে হয়
মথুরের সম্মুখে ভৈরবীর ঠাকুরকে অবতার বলা
পণ্ডিত বৈষ্ণবচরণের দক্ষিণেশ্বরে আগমনের কারণ

§ একাদশ অধ্যায়: ঠাকুরের তন্ত্রসাধন
সাধনপ্রসূত দিব্যদৃষ্টি ব্রাহ্মণীকে ঠাকুরের অবস্থা যথাযথরূপে বুঝাইয়াছিল
ঠাকুরকে ব্রাহ্মণীর তন্ত্রসাধন করিতে বলিবার কারণ
অবতার বলিয়া বুঝিয়াও ব্রাহ্মণী কিরূপে ঠাকুরকে সাধনায় সহায়তা করিয়াছিলেন
ঠাকুরকে ব্রাহ্মণীর সর্ব তপস্যার ফলপ্রদানের জন্য ব্যস্ততা
৺জগদম্বার অনুজ্ঞালাভে ঠাকুরের তন্ত্রসাধনের অনুষ্ঠান - তাঁহার সাধনাগ্রহের পরিমাণ
কাশীপুরের বাগানে ঠাকুর নিজ সাধনকালের আগ্রহ সম্বন্ধে যাহা বলিয়াছিলেন
পঞ্চমুণ্ডাসন-নির্মাণ ও চৌষট্টিখানা তন্ত্রের সকল সাধনের অনুষ্ঠান
স্ত্রীমূর্তিতে দেবীজ্ঞানসিদ্ধি
ঘৃণাত্যাগ
আনন্দাসনে সিদ্ধিলাভ, কুলাগারপূজা এবং তন্ত্রোক্ত সাধনকালে ঠাকুরের আচরণ
শ্রীশ্রীগণপতির রমণীমাত্রে মাতৃজ্ঞান সম্বন্ধে ঠাকুরের গল্প
গণেশ ও কার্তিকের জগৎপরিভ্রমণবিষয়ক গল্প
তন্ত্রসাধনে ঠাকুরের বিশেষত্ব
ঐ বিশেষত্ব ৺জগদম্বার অভিপ্রেত
শক্তি গ্রহণ না করিয়া ঠাকুরের সিদ্ধিলাভে যাহা প্রমাণিত হয়
তন্ত্রোক্ত অনুষ্ঠানসকলের উদ্দেশ্য
ঠাকুরের তন্ত্রসাধনের অন্য কারণ
তন্ত্রসাধনকালে ঠাকুরের দর্শন ও অনুভবসমূহ
শিবানীর উচ্ছিষ্টগ্রহণ
আপনাকে জ্ঞানাগ্নিব্যাপ্ত দর্শন
কুণ্ডলিনী-জাগরণ-দর্শন
ব্রহ্মযোনিদর্শন
অনাহতধ্বনি-শ্রবণ
কুলাগারে ৺দেবীদর্শন
অষ্টসিদ্ধি সম্বন্ধে স্বামী বিবেকানন্দের সহিত ঠাকুরের কথা
মোহিনীমায়া-দর্শন
ষোড়শীমূর্তির সৌন্দর্য
তন্ত্রসাধনে সিদ্ধিলাভে ঠাকুরের দেহবোধরাহিত্য ও বালকভাব-প্রাপ্তি
তন্ত্রসাধনকালে ঠাকুরের অঙ্গকান্তি
ভৈরবী ব্রাহ্মণী শ্রীশ্রীযোগমায়ার অংশ ছিলেন

§ দ্বাদশ অধ্যায়: জটাধারী ও বাৎসল্যভাব-সাধন
ঠাকুরের কৃপালাভে মথুরের অনুভব ও আচরণ
মথুরের অন্নমেরুব্রতানুষ্ঠান
বৈদান্তিক পণ্ডিত পদ্মলোচনের সহিত ঠাকুরের সাক্ষাৎ
ঠাকুরের বৈষ্ণবমতের সাধনসমূহে প্রবৃত্ত হইবার কারণ
বাৎসল্য ও মধুরভাব-সাধনের পূর্বে ঠাকুরের ভিতর স্ত্রীভাবের উদয়
ঠাকুরের মনের গঠন কিরূপ ছিল তদ্বিষয়ের আলোচনা
ঠাকুরের মনে সংস্কারবন্ধন কত অল্প ছিল
সাধনায় প্রবৃত্ত হইবার পূর্বে ঠাকুরের মন কিরূপ গুণসম্পন্ন ছিল
ঠাকুরের অসাধারণ মানসিক গঠনের দৃষ্টান্ত ও আলোচনা
ঠাকুরের অনুজ্ঞায় মথুরের সাধুসেবা
জটাধারীর আগমন
জটাধারীর সহিত ঠাকুরের ঘনিষ্ঠ সম্বন্ধ
স্ত্রীভাবের উদয়ে ঠাকুরের বাৎসল্যভাবসাধনে প্রবৃত্ত হওয়া
কোন ভাবের উদয় হইলে উহার চরম উপলব্ধি করিবার জন্য তাঁহার চেষ্টা - ঐরূপ করা কর্তব্য কি-না
ঠাকুরের ন্যায় নির্ভরশীল সাধকের ভাবসংযমের আবশ্যকতা নাই - উহার কারণ
ঐরূপ সাধক নিজ শরীরত্যাগের কথা জানিতে পারিয়াও উদ্বিগ্ন হন না - ঐ বিষয়ের দৃষ্টান্ত
ঐরূপ সাধকের মনে স্বার্থদুষ্ট বাসনার উদয় হয় না
ঐরূপ সাধক সত্যসঙ্কল্প হন - ঠাকুরের জীবনে ঐ বিষয়ের দৃষ্টান্তসকল
জটাধারীর নিকটে ঠাকুরের দীক্ষাগ্রহণপূর্বক বাৎসল্যভাব-সাধন ও সিদ্ধি
ঠাকুরকে জটাধারীর 'রামলালা'-বিগ্রহ দান
বৈষ্ণবমত-সাধনকালে ঠাকুর ভৈরবী ব্রাহ্মণীর কতদূর সহায়তা লাভ করিয়াছিলেন

§ ত্রয়োদশ অধ্যায়: মধুরভাবের সারতত্ত্ব
সাধকের কঠোর অন্তঃসংগ্রাম এবং লক্ষ্য
অসাধারণ সাধকদিগের নির্বিকল্প সমাধিতে অবস্থানের স্বতঃপ্রবৃত্তি - শ্রীরামকৃষ্ণদেব ঐ শ্রেণীভুক্ত সাধক
'শূন্য' এবং 'পূর্ণ' বলিয়া নির্দিষ্ট বস্তু এক পদার্থ
অদ্বৈত ভাবের স্বরূপ
শান্তাদি ভাবপঞ্চক এবং উহাদিগের সাধ্যবস্তু ঈশ্বর
শান্তাদি ভাবপঞ্চকের স্বরূপ - উহারা জীবকে কিরূপে উন্নত করে
প্রেমই ভাবসাধনার উপায় এবং ঈশ্বরের সাকার ব্যক্তিত্বই উহার অবলম্বন
প্রেমে ঐশ্বর্যজ্ঞানের লোপসিদ্ধি - উহাই ভাবসকলের পরিমাপক
শান্তাদি ভাবের প্রত্যেকের সহায়ে চরম অদ্বৈতভাব-উপলব্ধি-বিষয়ে ভক্তিশাস্ত্র ও শ্রীরামকৃষ্ণ জীবনের শিক্ষা
শান্তাদি ভাবপঞ্চকের দ্বারা অদ্বৈতভাবলাভবিষয়ে আপত্তি ও মীমাংসা
ভিন্ন ভিন্ন যুগে ভিন্ন ভিন্ন ভাবসাধনার প্রাবল্যনির্দেশ
শান্তাদি ভাবপঞ্চকের পূর্ণ পরিপুষ্টি বিষয়ে ভারত এবং ভারতেতর দেশে যেরূপ দেখিতে পাওয়া যায়
সাধকের ভাবের গভীরত্ব যাহা দেখিয়া বুঝা যায়
ঠাকুরকে সর্বভাবে সিদ্ধিলাভ করিতে দেখিয়া যাহা মনে হয়
ধর্মবীরগণের সাধনেতিহাস লিপিবদ্ধ না থাকা সম্বন্ধে আলোচনা
শ্রীকৃষ্ণের সম্বন্ধে ঐ কথা
বুদ্ধদেবের সম্বন্ধে ঐ কথা
ঈশার সম্বন্ধে ঐ কথা
শ্রীচৈতন্য সম্বন্ধে ঐ কথা এবং মধুরভাবের চরমতত্ত্ব-সম্বন্ধে শ্রীরামকৃষ্ণদেব
মধুরভাব ও বৈষ্ণবাচার্যগণ
বৃন্দাবনলীলার ঐতিহাসিকত্ব সম্বন্ধে আপত্তি ও মীমাংসা
বৃন্দাবনলীলা বুঝিতে হইলে ভাবেতিহাস বুঝিতে হইবে - এ বিষয়ে ঠাকুর যাহা বলিতেন
শ্রীচৈতন্যের পুরুষজাতিকে মধুরভাবসাধনে প্রবৃত্ত করিবার কারণ
তৎকালে দেশের আধ্যাত্মিক অবস্থা ও শ্রীচৈতন্য কিরূপে উহাকে উন্নীত করেন
মধুরভাবের স্থূল কথা
স্বাধীনা নায়িকার সর্বগ্রাসী প্রেম ঈশ্বরে আরোপ করিতে হইবে
মধুরভাব অন্য সকল ভাবের সমষ্টি ও অধিক
শ্রীচৈতন্য মধুরভাবসহায়ে কিরূপে লোককল্যাণ করিয়াছিলেন
বেদান্তবিৎ মধুরভাবসাধনকে যেভাবে সাধকের কল্যাণকর বলিয়া গ্রহণ করেন
শ্রীমতীর ভাব প্রাপ্ত হওয়াই মধুরভাবসাধনের চরম লক্ষ্য

§ চতুর্দশ অধ্যায়: ঠাকুরের মধুরভাবসাধন
বাল্যকাল হইতে ঠাকুরের মনের ভাবতন্ময়তার আচরণ
সাধনকালে তাঁহার মনের উক্ত স্বভাবের কিরূপ পরিবর্তন হয়
সাধনকালের পূর্বে ঠাকুরের মধুরভাব ভাল লাগিত না
ঠাকুরের সাধনসকল কখন শাস্ত্রবিরোধী হয় নাই - উহাতে যাহা প্রমাণিত হয়
তাঁহার স্বভাবতঃ শাস্ত্রমর্যাদা রাখার দৃষ্টান্ত - সাধনকালে নাম, ভেক ও বেশ-গ্রহণ
মধুরভাবসাধনে প্রবৃত্ত ঠাকুরের স্ত্রীবেশগ্রহণ
স্ত্রীবেশগ্রহণে ঠাকুরের প্রত্যেক আচরণ স্ত্রীজাতির ন্যায় হওয়া
মথুরের বাটীতে রমণীগণের সহিত ঠাকুরের সখীভাবে আচরণ
রমণীবেশগ্রহণে ঠাকুরকে পুরুষ বলিয়া চেনা দুঃসাধ্য হইত
মধুরভাবসাধনে নিযুক্ত ঠাকুরের আচরণ ও শারীরিক বিকারসমূহ
ঠাকুরের অতীন্দ্রিয় প্রেমের সহিত আমাদের ঐ বিষয়ক ধারণার তুলনা
শ্রীমতীর প্রেম সম্বন্ধে ভক্তিশাস্ত্রের কথা
শ্রীমতীর অতীন্দ্রিয় প্রেমের কথা বুঝাইবার জন্য শ্রীগৌরাঙ্গদেবের আগমন
ঠাকুরের শ্রীমতী রাধিকার উপাসনা ও দর্শনলাভ
ঠাকুরের আপনাকে শ্রীমতী বলিয়া অনুভব ও তাহার কারণ
প্রকৃতিভাবে ঠাকুরের শরীরের অদ্ভুত পরিবর্তন
মানসিক ভাবের প্রাবল্যে তাঁহার শারীরিক ঐরূপ পরিবর্তন দেখিয়া বুঝা যায়, 'মন সৃষ্টি করে এ শরীর'
ঠাকুরের ভগবান শ্রীকৃষ্ণের দর্শনলাভ
যৌবনের প্রারম্ভে ঠাকুরের মনে প্রকৃতি হইবার বাসনা
'ভাগবত, ভক্ত, ভগবান - তিন এক, এক তিন'-রূপ দর্শন

§ পঞ্চদশ অধ্যায়: ঠাকুরের বেদান্তসাধন
ঠাকুরের এইকালের মানসিক অবস্থার আলোচনা: (১) কামকাঞ্চনত্যাগে দৃঢ়প্রতিষ্ঠা
(২) নিত্যানিত্যবস্তুবিবেক ও ইহামূত্রফলভোগে বিরাগ
(৩) শমদমাদি ষট্ সম্পত্তি ও মুমুক্ষুত্ব
(৪) ঈশ্বরনির্ভরতা ও দর্শনজন্য ভয়শূন্যতা
ঈশ্বরদর্শনের পরেও ঠাকুর কেন সাধন করিয়াছিলেন, তদ্বিষয়ে তাঁহার কথা
ঠাকুরের জননীর গঙ্গাতীরে বাস করিবার সঙ্কল্প এবং দক্ষিণেশ্বরে আগমন
ঠাকুরের জননীর লোভরাহিত্য
হলধারীর কর্মত্যাগ ও অক্ষয়ের আগমন
ভাবসমাধিতে সিদ্ধ ঠাকুরের অদ্বৈতভাবসাধনে প্রবৃত্ত হইবার কারণ
ভাবসাধনের চরমে অদ্বৈতভাবলাভের চেষ্টার যুক্তিযুক্ততা
শ্রীমৎ তোতাপুরীর আগমন
ঠাকুর ও তোতাপুরীর প্রথম সম্ভাষণ এবং ঠাকুরের বেদান্তসাধনবিষয়ে প্রত্যাদেশলাভ
শ্রীশ্রীজগদম্বা সম্বন্ধে শ্রীমৎ তোতার যেরূপ ধারণা ছিল
ঠাকুরের গুপ্তভাবে সন্ন্যাসগ্রহণের অভিপ্রায় ও উহার কারণ
ঠাকুরের সন্ন্যাসদীক্ষাগ্রহণের পূর্বকার্যসকল সম্পাদন
সন্ন্যাসগ্রহণের পূর্বে প্রার্থনামন্ত্র
সন্ন্যাসগ্রহণের পূর্ব-সম্পাদ্য বিরজাহোমের সংক্ষেপ সারার্থ
ঠাকুরের শিখাসূত্রাদি পরিত্যাগপূর্বক সন্ন্যাসগ্রহণ
ঠাকুরের ব্রহ্মস্বরূপে অবস্থানের জন্য শ্রীমৎ তোতার প্রেরণা
ঠাকুরের মনকে নির্বিকল্প করিবার চেষ্টা নিষ্ফল হওয়ায় তোতার আচরণ এবং ঠাকুরের নির্বিকল্প সমাধিলাভ
ঠাকুর নির্বিকল্প সমাধি যথার্থ লাভ করিয়াছেন কিনা, তদ্বিষয়ে তোতার পরীক্ষা ও বিস্ময়
শ্রীমৎ তোতার ঠাকুরের সমাধিভঙ্গ করিবার চেষ্টা
ঠাকুরের জগদম্বা দাসীর কঠিন পীড়া আরোগ্য করা

§ ষোড়শ অধ্যায়: বেদান্তসাধনের শেষ কথা ও ইসলামধর্মসাধন
ঠাকুরের কঠিন ব্যাধি - ঐ কালে তাঁহার মনের অপূর্ব আচরণ
অদ্বৈতভাবে প্রতিষ্ঠিত হইবার পরে ঠাকুরের দর্শন - ঐ দর্শনের ফলে তাঁহার উপলব্ধিসমূহ
ব্রহ্মজ্ঞানলাভের পূর্বে সাধকের জাতিস্মরত্বলাভ-সম্বন্ধে শাস্ত্রীয় কথা
ব্রহ্মজ্ঞানলাভে সাধকের সর্বপ্রকার যোগবিভূতি ও সিদ্ধসঙ্কল্পত্ব-লাভ সম্বন্ধে শাস্ত্রীয় কথা
পূর্বোক্ত শাস্ত্রকথা অনুসারে ঠাকুরের জীবনালোচনায় তাঁহার অপূর্ব উপলব্ধিসকলের কারণ বুঝা যায়
পূর্বোক্ত উপলব্ধিসকল ঠাকুরের যুগপৎ উপস্থিত না হইবার কারণ
অদ্বৈতভাবলাভ করাই সকল সাধনের উদ্দেশ্য বলিয়া ঠাকুরের উপলব্ধি
পূর্বোক্ত উপলব্ধি তাঁহার পূর্বে অন্য কেহ পূর্ণভাবে করে নাই
অদ্বৈতবিজ্ঞানে প্রতিষ্ঠিত ঠাকুরের মনের উদারতা সম্বন্ধে দৃষ্টান্ত - তাঁহার ইসলাম ধর্মসাধন
সুফি গোবিন্দ রায়ের আগমন
গোবিন্দের সহিত আলাপ করিয়া ঠাকুরের সঙ্কল্প
গোবিন্দের নিকট হইতে দীক্ষাগ্রহণ করিয়া সাধনে ঠাকুরের সিদ্ধিলাভ
মুসলমানধর্মসাধনকালে ঠাকুরের আচরণ
ভারতে হিন্দু ও মুসলমান জাতি কালে ভ্রাতৃভাবে মিলিত হইবে, ঠাকুরের ইসলামমত-সাধনে ঐ বিষয় বুঝা যায়
পরবর্তী কালে ঠাকুরের মনে অদ্বৈত-স্মৃতি কতদূর প্রবল ছিল
ঐ বিষয়ক কয়েকটি দৃষ্টান্ত - (১) বৃদ্ধ ঘেষেড়া
(২) আহত পতঙ্গ
(৩) পদদলিত নবীন দূর্বাদল
(৪) নৌকায় মাঝিদ্বয়ের পরস্পর কলহে ঠাকুরের নিজ শরীরে আঘাতানুভব

§ সপ্তদশ অধ্যায়: জন্মভূমিসন্দর্শন
ভৈরবী ব্রাহ্মণী ও হৃদয়ের সহিত ঠাকুরের কামারপুকুরে গমন
ঠাকুরকে তাঁহার আত্মীয়-বন্ধুগণ যে ভাবে দেখিয়াছিল
শ্রীশ্রীমার কামারপুকুরে আগমন
আত্মীয়বর্গ ও বাল্যবন্ধুগণের সহিত ঠাকুরের এই কালের আচরণ
উহাদিগের মধ্যে কোন কোন ব্যক্তির আধ্যাত্মিক উন্নতি সম্বন্ধে ঠাকুরের কথা
কামারপুকুরবাসীদিগকে ঠাকুরের অপূর্ব নূতনভাবে দেখিবার কারণ
জন্মভূমির সহিত ঠাকুরের চিরপ্রেমসম্বন্ধ
ঠাকুরের নিজ পত্নীর প্রতি কর্তব্যপালনের আরম্ভ
ঐ বিষয়ে ঠাকুর কতদূর সুসিদ্ধ হইয়াছিলেন
পত্নীর প্রতি ঠাকুরের ঐরূপ আচরণদর্শনে ব্রাহ্মণীর আশঙ্কা ও ভাবান্তর
অভিমান-অহঙ্কারের বৃদ্ধিতে ব্রাহ্মণীর বুদ্ধিনাশ
ঐ বিষয়ক ঘটনা
ব্রাহ্মণীর সহিত হৃদয়ের কলহ
ব্রাহ্মণীর নিজ ভ্রম বুঝিতে পারিয়া অপরাধের আশঙ্কা, অনুতাপ ও ক্ষমা চাহিয়া কাশীগমন
ঠাকুরের কলিকাতায় প্রত্যাগমন

§ অষ্টাদশ অধ্যায়: তীর্থদর্শন ও হৃদয়রামের কথা
ঠাকুরের তীর্থযাত্রা স্থির হওয়া
ঐ যাত্রার সময়নিরূপণ
ঐ যাত্রার বন্দোবস্ত
৺বৈদ্যনাথদর্শন ও দরিদ্রসেবা
পথে বিঘ্ন
কেদারঘাটে অবস্থান ও ৺বিশ্বনাথদর্শন
ঠাকুর ও শ্রীত্রৈলঙ্গস্বামী
৺প্রয়াগধামে ঠাকুরের আচরণ
শ্রীবৃন্দাবনে নিধুবনাদি স্থান দর্শন
৺কাশীতে প্রত্যাগমন ও স্থিতি
কাশীতে ব্রাহ্মণীকে দর্শন - ব্রাহ্মণীর শেষ কথা
বীনকার মহেশকে দেখিতে যাওয়া
দক্ষিণেশ্বরে প্রত্যাবর্তন ও আচরণ
হৃদয়ের স্ত্রীর মৃত্যু ও বৈরাগ্য
হৃদয়ের ভাবাবেশ
হৃদয়ের অদ্ভুত দর্শন
হৃদয়ের মনের জড়ত্বপ্রাপ্তি
হৃদয়ের সাধনায় বিঘ্ন
হৃদয়ের ৺দুর্গোৎসব
৺দুর্গোৎসবকালে হৃদয়ের ঠাকুরকে দেখা
৺দুর্গোৎসবের শেষ কথা

§ ঊনবিংশ অধ্যায়: স্বজনবিয়োগ
রামকুমার-পুত্র অক্ষয়ের কথা
অক্ষয়ের রূপ
অক্ষয়ের শ্রীরামচন্দ্রে ভক্তি ও সাধনানুরাগ
অক্ষয়ের বিবাহ
বিবাহের পরে অক্ষয়ের কঠিন পীড়া ও দক্ষিণেশ্বরে প্রত্যাগমন
অক্ষয়ের দ্বিতীয়বার পীড়া - অক্ষয়ের মৃত্যু-ঘটনা ঠাকুরের পূর্ব হইতে জানিতে পারা
অক্ষয় বাঁচিবে না শুনিয়া হৃদয়ের আশঙ্কা ও আচরণ
অক্ষয়ের মৃত্যু ও ঠাকুরের আচরণ
অক্ষয়ের মৃত্যুতে ঠাকুরের মনঃকষ্ট
ঠাকুরের ভ্রাতা রামেশ্বরের পূজকের পদগ্রহণ
মথুরের সহিত ঠাকুরের রাণাঘাটে গমন ও দরিদ্র-নারায়ণগণের সেবা
মথুরের নিজবাটী ও গুরুগৃহদর্শন
কলুটোলার হরিসভায় ঠাকুরের শ্রীচৈতন্যদেবের আসনাধিকার ও কালনা, নবদ্বীপাদি দর্শন
মথুরের নিষ্কাম ভক্তি
ঐ বিষয়ে দৃষ্টান্ত
ঠাকুরের সহিত মথুরের গভীর প্রেমসম্বন্ধ
ঐ বিষয়ে দৃষ্টান্ত
ঐ বিষয়ে দ্বিতীয় দৃষ্টান্ত
মথুরের ঐরূপ নিষ্কাম ভক্তি লাভ করা আশ্চর্য নহে - ঐ সম্বন্ধে শাস্ত্রীয় মত
মথুরের দেহত্যাগ
ঠাকুরের ভাবাবেশে ঐ ঘটনা দর্শন

§ বিংশ অধ্যায়: ৺ষোড়শী পূজা
বিবাহের পরে ঠাকুরকে প্রথম দর্শনকালে শ্রীশ্রীমা বালিকামাত্র ছিলেন
গ্রাম্য বালিকাদিগের বিলম্বে শরীরমনের পরিণতি হয়
ঠাকুরকে প্রথমবার দেখিয়া শ্রীশ্রীমার মনের ভাব
ঐ ভাব লইয়া শ্রীশ্রীমার জয়রামবাটীতে বাসের কথা
ঐ কালে শ্রীশ্রীমার মনোবেদনার কারণ ও দক্ষিণেশ্বরে আসিবার সঙ্কল্প
ঐ সঙ্কল্প কার্যে পরিণত করিবার বন্দোবস্ত
নিজ পিতার সহিত শ্রীশ্রীমার পদব্রজে গঙ্গাস্নান করিতে আগমন ও পথিমধ্যে জ্বর
পীড়িতাবস্থায় শ্রীশ্রীমার অদ্ভুত দর্শন-বিবরণ
রাত্রে জ্বরগায়ে শ্রীশ্রীমার দক্ষিণেশ্বরে পৌঁছান ও ঠাকুরের আচরণ
ঠাকুরের ঐরূপ আচরণে শ্রীশ্রীমার সানন্দে তথায় অবস্থিতি
ঠাকুরের নিজ ব্রহ্মবিজ্ঞানের পরীক্ষা ও পত্নীকে শিক্ষাপ্রদান
ইতিপূর্বে ঠাকুরের ঐরূপ অনুষ্ঠান না করিবার কারণ
ঠাকুরের শিক্ষাদানের প্রণালী ও শ্রীশ্রীমার সহিত এইকালে আচরণ
শ্রীশ্রীমাকে ঠাকুর কি ভাবে দেখিতেন
ঠাকুরের নিজমনের সংযম-পরীক্ষা
পত্নীকে লইয়া ঠাকুরের আচরণের ন্যায় আচরণ কোন অবতারপুরুষ করেন নাই - উহার ফল
শ্রীশ্রীমার অলৌকিকত্ব সম্বন্ধে ঠাকুরের কথা
পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হইয়া ঠাকুরের সঙ্কল্প
৺ষোড়শী-পূজার আয়োজন
শ্রীশ্রীমাকে অভিষেকপূর্বক ঠাকুরের পূজাকরণ
পূজাশেষে সমাধি ও ঠাকুরের জপপূজাদি ৺দেবীচরণে সমর্পণ
ঠাকুরের নিরন্তর সমাধির জন্য শ্রীশ্রীমার নিদ্রার ব্যাঘাত হওয়ায় অন্যত্র শয়ন এবং কামারপুকুরে প্রত্যাগমন

§ একবিংশ অধ্যায়: সাধকভাবের শেষ কথা
৺ষোড়শীপূজার পরে ঠাকুরের সাধন-বাসনার নিবৃত্তি
কারণ, সর্বধর্মমতের সাধনা সম্পূর্ণ করিয়া অপর আর কি করিবেন
শ্রীশ্রীঈশা-প্রবর্তিত ধর্মে ঠাকুরের অদ্ভুত উপায়ে সিদ্ধিলাভ
শ্রীশ্রীঈশাসম্বন্ধীয় ঠাকুরের দর্শন কিরূপে সত্য বলিয়া প্রমাণিত হয়
শ্রীশ্রীবুদ্ধের অবতারত্ব ও তাঁহার ধর্মমতসম্বন্ধে ঠাকুরের কথা
ঠাকুরের জৈন ও শিখ ধর্মমতে ভক্তিবিশ্বাস
সর্বধর্মমতে সিদ্ধ হইয়া ঠাকুরের অসাধারণ উপলব্ধিসকলের আবৃত্তি
(১) তিনি ঈশ্বরাবতার
(২) তাঁহার মুক্তি নাই
(৩) নিজ দেহরক্ষার কাল জানিতে পারা
(৪) সর্ব ধর্ম সত্য - 'যত মত তত পথ'
(৫) দ্বৈত, বিশিষ্টাদ্বৈত, অদ্বৈত মত মানবকে অবস্থাভেদে অবলম্বন করিতে হইবে
(৬) কর্মযোগ-অবলম্বনে সাধারণ মানবের উন্নতি হইবে
(৭) উদার মতে সম্প্রদায় প্রবর্তন করিতে হইবে
(৮) যাহাদের শেষ জন্ম তাহারা তাঁহার মত গ্রহণ করিবে
তিনজন বিশিষ্ট শাস্ত্রজ্ঞ সাধক ঠাকুরকে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে দেখিয়া যে মত প্রকাশ করিয়াছেন
ঐ পণ্ডিতদিগের আগমনকাল নিরূপণ
ঠাকুরের নিজ সাঙ্গোপাঙ্গসকলকে দেখিতে বাসনা ও আহ্বান

§ পরিশিষ্ট
রামেশ্বরের মৃত্যু
রামেশ্বরের উদার প্রকৃতি
রামেশ্বরের মৃত্যুর সম্ভাবনা ঠাকুরের পূর্ব হইতে জানিতে পারা ও তাঁহাকে সতর্ক করা
রামেশ্বরের মৃত্যুসংবাদে জননীর শোকে প্রাণসংশয় হইবে ভাবিয়া ঠাকুরের প্রার্থনা ও তৎফল
মৃত্যু উপস্থিত জানিয়া রামেশ্বরের আচরণ
মৃত্যুর পরে রামেশ্বরের নিজ বন্ধু গোপালের সহিত কথোপকথন
ঠাকুরের ভ্রাতুষ্পুত্র রামলালের দক্ষিণেশ্বরে আগমন ও পূজকের পদগ্রহণ - চানকের অন্নপূর্ণার মন্দির
ঠাকুরের দ্বিতীয় রসদ্দার শ্রীযুক্ত শম্ভুচরণ মল্লিকের কথা
শ্রীশ্রীমার জন্য শম্ভুবাবুর ঘর করিয়া দেওয়া, কাপ্তেনের ঐ বিষয়ে সাহায্য, ঐ গৃহে ঠাকুরের একরাত্রি বাস
ঐ গৃহে বাসকালে শ্রীশ্রীমার কঠিন পীড়া ও জয়রামবাটীতে গমন
৺সিংহবাহিনীর নিকট হত্যাদান ও ঔষধপ্রাপ্তি
মৃত্যুকালে শম্ভুবাবুর নির্ভীক আচরণ
ঠাকুরের জননী চন্দ্রমণি দেবীর শেষাবস্থা ও মৃত্যু
মাতৃবিয়োগ হইলে ঠাকুরের তর্পণ করিতে যাইয়া তৎকরণে অপারগ হওয়া - তাঁহার গলিত-কর্মাবস্থা
ঠাকুরের কেশববাবুকে দেখিতে গমন
বেলঘরিয়া উদ্যানে কেশব
কেশবের সহিত প্রথমালাপ
ঠাকুরের ও কেশবের ঘনিষ্ঠ সম্বন্ধ
দক্ষিণেশ্বরে আসিয়া কেশবের আচরণ
ঠাকুরের কেশবকে ব্রহ্ম ও ব্রহ্মশক্তি অভেদ এবং 'ভাগবৎ, ভক্ত, ভগবান - তিনে এক, একে তিন' - বুঝান
১৮৭৮ খৃষ্টাব্দের ৬ই মার্চ কুচবিহার বিবাহ - ঐ কালে আঘাত পাইয়া কেশবের আধ্যাত্মিক গভীরতা লাভ - ঐ বিবাহ সম্বন্ধে ঠাকুরের মত
ঠাকুরের ভাব কেশব সম্পূর্ণরূপে ধরিতে পারেন নাই - ঠাকুরের সম্বন্ধে কেশবের দুই প্রকার আচরণ
নববিধান ও ঠাকুরের মত
ভারতের জাতীয় সমস্যা ঠাকুরই সমাধান করিয়াছেন
কেশবের দেহত্যাগে ঠাকুরের আচরণ
ঠাকুরের সংকীর্তনে শ্রীগৌরাঙ্গদেবকে দর্শন
ঠাকুরের ফুলুই-শ্যামবাজারে গমন ও অপূর্ব কীর্তনানন্দ - ঐ ঘটনার সময়নিরূপণ
পুস্তকস্থ ঘটনাবলীর সময়নিরূপণের তালিকা

গুরুভাব - পূর্বার্ধ
গ্রন্থ-পরিচয়
হিন্দুধর্ম ও শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ

§ প্রথম অধ্যায়: শ্রীরামকৃষ্ণ - ভাবমুখে
ঠাকুরের কথার গভীর ভাব
সকল অবতারপুরুষের কথাই ঐরূপ
দৃষ্টান্ত - গিরিশকে বকলমা দিতে বলা
গিরিশের মনের অবস্থা
বকলমা দেওয়ার পর গিরিশের মনের অবস্থা
বকলমা ভালবাসার বন্ধন
গিরিশের অতঃপর শিক্ষা
গিরিশের বকলমার গূঢ় অর্থবোধ
অবতারেরাই বকলমার ভার লইতে পারেন
তদ্দৃষ্টান্ত
বকলমা সম্বন্ধে ঠাকুরের দর্শন
ঠাকুরের ধবলকুষ্ঠ আরোগ্য করা
বকলমা দেওয়া সহজ নয়
কোন্ অবস্থায় বকলমা দেওয়া চলে
মনের জুয়াচুরি হইতে সাবধান
বকলমার শেষ কথা
ঠাকুরের 'ব্রাহ্মণ ও গোহত্যা'র গল্প
সাধকের মনের উন্নতির সহিত ঠাকুরের কথার গভীর অর্থবোধ
'কালে হবে'
সাধনে লাগিয়া থাকা আবশ্যক
ম্যাদাটে ভক্তি ত্যাগ করা
ভাবঘনমূর্তি ঠাকুরের প্রত্যেক ভাবের সহিত দৈহিক পরিবর্তন
ঠাকুরের সকলের সকলপ্রকার ভাব ধরিবার ক্ষমতা
১ম দৃষ্টান্ত - মণিমোহনের পুত্রশোকের কথা
২য় দৃষ্টান্ত - কাম দূর করা সম্বন্ধে ঠাকুরের কথা
৩য় দৃষ্টান্ত - যোগানন্দকে ঐ সম্বন্ধে উপদেশ
৪র্থ দৃষ্টান্ত - মণিমোহনের আত্মীয়ার কথা
ঠাকুরের স্ত্রীজাতির সর্বপ্রকার মনোভাব ধরিবার ক্ষমতা
উহার কারণ
স্ত্রীজাতির ঠাকুরের নিকট সর্বথা নিঃসঙ্কোচ ব্যবহারের কারণ
ঐ সম্বন্ধে দৃষ্টান্ত
ঐ সম্বন্ধে ২য় দৃষ্টান্ত
স্ত্রীভক্তদিগের প্রতি ঠাকুরের সমান কৃপা
ঠাকুরের স্ত্রীসুলভ হাবভাবের অনুকরণ
ঠাকুরের স্ত্রী-পুরুষ উভয় ভাবের একত্র সমাবেশ
ভাবমুখে থাকাতেই ঠাকুর সকলের ভাব বুঝিতে সমর্থ হইতেন

§ দ্বিতীয় অধ্যায়: ভাব, সমাধি ও দর্শন সম্বন্ধে কয়েকটি কথা
সমাধি মস্তিষ্ক-বিকার নহে
সমাধি দ্বারাই ধর্মলাভ হয় ও চিরশান্তি পাওয়া যায়
দেবমূর্ত্যাদি-দর্শন না হইলেই যে ধর্মপথে অগ্রসর হওয়া যায় না, তাহা নহে
ত্যাগ, বিশ্বাস এবং চরিত্রের বলই ধর্মলাভের পরিচায়ক
'পাকা আমি' ও শুদ্ধ বাসনা। জীবন্মুক্ত, আধিকারিক বা ঈশ্বরকোটি ও জীবকোটি
অদ্বৈতভাবোপলব্ধির তারতম্য
শান্ত-দাস্যাদি-ভাবের গভীরতায় সবিকল্প সমাধি
মানসিক ও আধ্যাত্মিক ভাবে শারীরিক বিকার অবশ্যম্ভাবী
উচ্চাবচ ভাবসমাধি কিরূপে বুঝা যাইবে
সর্বপ্রকার ভাব সম্পূর্ণ উপলব্ধি করিতে অবতারেরাই সক্ষম। দৃষ্টান্ত - ঠাকুরের সমাধির কথা
বেদান্ত-চর্চা করিতে ব্রাহ্মণীর নিষেধ
ঠাকুরের নির্বিকল্প ভূমিতে সর্বদা থাকিবার সঙ্কল্প ও উক্ত ভূমির স্বরূপ
ঠাকুরের মনের অদ্ভুত গঠন
ঠাকুরের সত্যনিষ্ঠা
ঐ বিষয়ের ১ম দৃষ্টান্ত
ঐ দ্বিতীয় দৃষ্টান্ত
ঐ ৩য় দৃষ্টান্ত
জগদম্বা 'বেচালে পা পড়িতে' দেন না
ঠাকুরের নির্বিকল্প ভূমিতে উঠিবার পথে অন্তরায়
একুশদিন যে ভাবে থাকিলে শরীর নষ্ট হয় সেইভাবে ছয় মাস থাকা
ঠাকুরের সমাধি সম্বন্ধে 'কাপ্তেনের' কথা
ঐ সম্বন্ধে ঠাকুরের নিজের কথা
মনোভাবপ্রসূত শারীরিক পরিবর্তন সম্বন্ধে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্ত্যের মত
কুণ্ডলিনীর সঞ্চিত পূর্ব-সংস্কারের আবাসস্থান ও ঐ সকলের নাশ কিরূপে হয়
শরীর ও মনের সম্বন্ধ
ভাবসকল সংক্রামক বলিয়াই সাধুসঙ্গ অনুষ্ঠেয়
একনিষ্ঠাপ্রসূত শারীরিক পরিবর্তন
ভক্তিপথ ও যোগমার্গের সামঞ্জস্য
কুণ্ডলিনী কাহাকে বলে ও তাহার সুপ্ত এবং জাগ্রত অবস্থা
জাগরিতা কুণ্ডলিনীর গতি - ষট্চক্রভেদ ও সমাধি
ঐ সম্বন্ধে ঠাকুরের অনুভব
ঠাকুরের নির্বিকল্প সমাধিকালের অনুভব বলিবার চেষ্টা
সমাধিপথে কুণ্ডলিনীর পাঁচ প্রকারের গতি
বেদান্তের সপ্তভূমি ও প্রত্যেক ভূমিলব্ধ আধ্যাত্মিক দর্শন সম্বন্ধে ঠাকুরের কথা
ঠাকুরের শ্রুতিধরত্ব
ঠাকুরের অদ্বৈতভাব সহজে বুঝান
ঐ দৃষ্টান্ত - স্বামী তুরীয়ানন্দ
বেদান্ত আর কি? ব্রহ্ম সত্য, জগৎ মিথ্যা - এই ধারণা
ঈশ্বরকৃপা ভিন্ন ঈশ্বরলাভ হয় না
শশধর পণ্ডিত ঠাকুরকে যোগশক্তিবলে রোগ সারাইতে বলায় ঠাকুরের উত্তর
স্বামী বিবেকানন্দ প্রভৃতি ভক্তগণের ঠাকুরকে ঐ বিষয়ে অনুরোধ ও ঠাকুরের উত্তর
ঠাকুরের অদ্বৈতভাবের গভীরতা
ঠাকুরের সকল প্রকার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া
ঠাকুরের ভাবকালে দৃষ্ট বিষয়গুলি বাহ্যজগতে সত্য হইতে দেখা
ঐ দৃষ্টান্ত - পঞ্চবটীর বেড়া ইত্যাদি
প্রত্যেক ভক্তের সহিত ঠাকুরের বিভিন্ন ভাবের সম্বন্ধ
ভক্তদিগের দুই শ্রেণী
ভক্তদিগের প্রকৃতি দেখিয়া ঠাকুরের প্রত্যেকের সহিত ভাব-সম্বন্ধ-পাতান
ঠাকুর ভক্তদিগকে কত প্রকারে ধর্মপথে অগ্রসর করাইতেন
ভক্তদিগের দেবদেবীর মূর্তিদর্শন
জনৈক ভক্তের বৈকুণ্ঠ-দর্শন
সাকারবাদীদের প্রতি ঠাকুরের উপদেশ
রেশমের দড়ি ও 'জ্যোৎ' প্রদীপ
ধ্যান করবার আগে মনটা ধুয়ে ফেলা
সাকার বড় না নিরাকার বড়
সাকার ও নিরাকারের সামঞ্জস্য
স্বামী বিবেকানন্দ ও অন্ধবিশ্বাস
নিরাকারবাদীদের প্রতি উপদেশ
ঠাকুরের নিজমূর্তি ধ্যান করিতে উপদেশ
'কাঁচা আমি ও পাকা আমি'; একটা ভাব পাকা ক'রে ধরলে তবে ঈশ্বরের উপর জোর চলে
নষ্ট মেয়ের দৃষ্টান্ত
এজন্মে ঈশ্বরলাভ করবো - মনে এই জোর রাখা চাই
এক এক ক'রে বাসনাত্যাগ করা চাই
চার ক'রে মাছ ধরার মত অধ্যবসায় চাই
ভগবান 'কানখড়্কে' - সব শুনেন
গভীর ভাব-প্রবণতার সহিত ঠাকুরের সকল বিষয়ে দৃষ্টি রাখা
ঐ বিষয়ে দৃষ্টান্ত
ঐ বিষয়ে ২য় দৃষ্টান্ত
ঐ বিষয়ে ৩য় দৃষ্টান্ত - শ্রীশ্রীমার প্রতি উপদেশ
ঐ বিষয়ে শেষ কথা
ঠাকুর ভাবরাজ্যের মূর্তিমান রাজা
মানব-মনের উপর তাঁহার অপূর্ব আধিপত্য - স্বামী বিবেকানন্দের ঐ বিষয়ক কথা

§ তৃতীয় অধ্যায়: শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণের গুরুভাব
ঠাকুর, 'গুরু' 'বাবা' বা 'কর্তা' বলিয়া সম্বোধিত হইলে বিরক্ত হইতেন। তবে গুরুভাব তাঁহাতে কিরূপে সম্ভবে
সর্বভূতে নারায়ণ-বুদ্ধি স্থির থাকায় ঠাকুরের দাসভাব সাধারণ
কিন্তু দিব্য-ভাবাবেশে তাঁহাতে গুরুভাবের লীলা নিত্য দেখা যাইত। ঠাকুরের তখনকার ব্যবহারে ভক্তদিগের কি মনে হইত
ভাবময় ঠাকুরের ভাবের ইতি নাই
সাধারণের বিশ্বাস ঠাকুর ভক্ত ছিলেন, জ্ঞানী ছিলেন না। 'ভাবমুখে থাকা' কখন ও কিরূপে সম্ভবে বুঝিলে ঐকথা আর বলা চলে না
'আমি'-বোধাশ্রয়ে মানসিক বৃত্তিসমূহের উদয়। উহার আংশিক লোপে সবিকল্প ও পূর্ণ লোপে নির্বিকল্প সমাধি হয়। সমাধি, মূর্চ্ছা ও সুষুপ্তির প্রভেদ
সমাধি ফল - জ্ঞান ও আনন্দের বৃদ্ধি এবং ভগবদ্দর্শন
ঠাকুরের ছয় মাস নির্বিকল্প সমাধিতে থাকিবার কালের দর্শন ও অনুভব
'আমি'-বোধের সম্পূর্ণ লোপে ঐ কালে তাঁহার শরীর রহিল কিরূপে
জনৈক যোগী-সাধুর আগমন ও ঠাকুরের অবস্থা বুঝিয়া তাঁহাকে নিত্য জোর করিয়া আহার করাইয়া দেওয়া
শ্রীশ্রীজগদম্বার আদেশ - 'ভাবমুখে থাক্'
একমেবাদ্বিতীয়ং-বস্তুতে নির্গুণ ও সগুণভাবে স্বগত-ভেদ এবং জগদ্ব্যাপী বিরাট আমিত্ব বর্তমান। ঐ বিরাট আমিত্বই ঈশ্বর বা শ্রীশ্রীজগদম্বার আমিত্ব; এবং উহার দ্বারাই জগদ্ব্যাপার নিষ্পন্ন হয়
ঐ বিরাট আমিত্বেরই নাম 'ভাবমুখ', কারণ সংসারের সকল প্রকার ভাবই উহাকে আশ্রয় করিয়া উদয় হইতেছে
পূর্ণ নির্বিকল্প এবং ঈষৎ সবিকল্প বা 'ভাবমুখ' অবস্থায় ঠাকুরের অনুভব ও দর্শন
'ভাবমুখে থাক্' - কথার অর্থ
সাধকের আধ্যাত্মিক উন্নতিতে দ্বৈত, বিশিষ্টাদ্বৈত ও অদ্বৈত-ভাব পর পর আসিয়া উপস্থিত হয়
মহাজ্ঞানী হনুমানের ঐ বিষয়ক কথা
অদ্বৈতভাব চিন্তা, কল্পনা ও বাক্যাতীত; যতক্ষণ বলা কহা আছে ততক্ষণ নিত্য ও লীলা, ঈশ্বরের উভয় ভাব লইয়া থাকিতেই হইবে
ঐ বিষয়ে ঠাকুরের কয়েকটি দৃষ্টান্ত। যথা - গানের অনুলোম-বিলোম; বেল, থোড়, প্যাঁজের খোলা
ভাবমুখ - নির্গুণ হইতে কয়েকপদ নিম্নে অবস্থিত থাকিলেও ঐ অবস্থায় অদ্বৈত বস্তুর বিশেষ অনুভব থাকে। ঐ অবস্থায় কিরূপ অনুভব হয়। ঠাকুরের দৃষ্টান্ত
বিদ্যা-মায়ার রাজ্যে আরও নিম্নস্তরে নামিলে তবে ঈশ্বরের দাস, ভক্ত, সন্তান বা অংশ-'আমি' - এইরূপ অনুভব হয়
ঠাকুরের 'কাঁচা আমি'টার এককালে নাশ হইয়া বিরাট 'পাকা আমিত্বে' অনেক কাল অবস্থিতি। ঐ অবস্থাতেই তাঁহাতে গুরুভাব প্রকাশ পাইত। অতএব দীনভাব ও গুরুভাব অবস্থানুসারে এক ব্যক্তিতে আসা অসম্ভব নহে
গুরুভাবে ঠাকুরের ইচ্ছা ও স্পর্শমাত্রে অপরে ধর্মশক্তি জাগ্রত করিয়া দিবার দৃষ্টান্ত - ১৮৮৬ খৃষ্টাব্দ ১লা জানুয়ারির ঘটনা
ঠাকুরের ঐরূপ স্পর্শে ভক্তদিগের প্রত্যেকের দর্শন ও অনুভব
কখন কাহাকে কৃপায় ঠাকুর ঐ ভাবে স্পর্শ করিবেন তাহা বুঝা যাইত না
'কাঁচা আমি'টার লোপ বা নাশেই গুরুভাব-প্রকাশের কথা সকল ধর্মশাস্ত্রে আছে
গুরুভাব মানবীয় ভাব নহে - সাক্ষাৎ জগদম্বার ভাব, মানবের শরীর ও মনকে যন্ত্র-স্বরূপে অবলম্বন করিয়া প্রকাশিত
ঈশ্বর করুণায় ঐ ভাবাবলম্বনে মানব-মনের অজ্ঞান-মোহ দূর করেন। সেজন্য গুরুভক্তি ও ঈশ্বরভক্তি একই কথা
গুরুভক্তি-বিষয়ে ঠাকুরের উপদেশ - বিভীষণের গুরুভক্তির কথা
ঠিক ঠিক ভক্তিতে অতি তুচ্ছ বিষয়েও ঈশ্বরের উদ্দীপন হয়। 'এই মাটিতে খোল হয়!' - বলিয়াই শ্রীচৈতন্যের ভাব
অর্জুনের গুরুভক্তির কথা
ঈশ্বরীয় ভাবরূপে গুরু এক। তথাপি নিজ গুরুতে ভক্তি, বিশ্বাস ও নিষ্ঠা চাই। ঐ বিষয়ে হনুমানের কথা
সকল মানবেই গুরুভাব সুপ্তভাবে বিদ্যমান
ঠাকুরের কথা "শেষে মনই গুরু হয়"
"গুরু যেন সখী"
"গুরু শেষে ইষ্টে লয় হন; গুরু, কৃষ্ণ, বৈষ্ণব - তিনে এক, একে তিন"

§ চতুর্থ অধ্যায়: গুরুভাবের পূর্ববিকাশ
বাল্যাবস্থা হইতেই গুরুভাবের পরিচয় ঠাকুরের জীবনে পাওয়া যায়
"আগে ফল, তারপর ফুল।" সকল অবতারপুরুষের জীবনেই ঐ ভাব
ঠাকুরের জীবনে গুরুভাবের প্রথমবিকাশ - কামারপুকুরে
লাহাবাবুদের বাটীতে পণ্ডিত-সভায় শাস্ত্র-বিচার
ঈশার জীবনে ঐরূপ ঘটনা। জেরুজালেমের য়্যাভে-মন্দির
সেকালের য়্যাহুদী তীর্থযাত্রী
য়্যাভে-মন্দিরে ঈশার শাস্ত্রব্যাখ্যা
পণ্ডিত মোক্ষমূলরের মত খণ্ডন
ঠাকুর বিবাহ করিলেন কেন? আত্মীয়দিগের অনুরোধে? - না
ভোগবাসনা ছিল বলিয়া? - না
বিবাহের পাত্রী-অন্বেষণের সময় ঠাকুরের কথা - "কুটো বেঁধে রাখা আছে, দেখ্ গে যা।" অতএব স্বেচ্ছায় বিবাহ করা
প্রারব্ধ কর্ম-ভোগের জন্যই কি ঠাকুরের বিবাহ?
না - যথার্থ জ্ঞানী পুরুষের প্রারব্ধ ভোগ করা-না-করা ইচ্ছাধীন
ঠাকুরের তো কথাই নাই; কারণ তাঁহার কথা - "যে রাম, যে কৃষ্ণ, সে-ই ইদানীং রামকৃষ্ণ"
বিবাহের কথা লইয়া ঠাকুরের রঙ্গরস
দশ-প্রকারের সংস্কার পূর্ণ করিবার জন্যই সাধারণ আচার্যদিগের বিবাহ করা। ঠাকুরের বিবাহও কি সেজন্য? - না
ধর্মাবিরুদ্ধ ভোগসহায়ে ত্যাগে পৌঁছাইবার জন্যই হিন্দুর বিবাহ
বিচার-সংযুক্ত ভোগ করিতে করিতে কালে বোধ হয় - 'দুঃখের মুকুট পরিয়া সুখ আসে'
ভোগসুখ ত্যাগ করিতে করিতে মনকে কি ভাবে বুঝাইতে হয়, তদ্বিষয়ে ঠাকুরের উপদেশ
বিবাহিত জীবনে ব্রহ্মচর্যপালন করিবার প্রথার উচ্ছেদ হওয়াতেই হিন্দুর বর্তমান জাতীয় অবনতি
নিজে অনুষ্ঠান করিয়া দেখাইয়া ঐ আদর্শ পুনরায় প্রচলনের জন্যই ঠাকুরের বিবাহ
স্ত্রীর সহিত ঠাকুরের শরীরসম্বন্ধ-রহিত অদৃষ্টপূর্ব প্রেম-সম্বন্ধ। শ্রীশ্রীমার ঐ বিষয়ক কথা
গৃহী মানবের শিক্ষার জন্যই ঠাকুরের ঐরূপ প্রেমলীলাভিনয়
ঠাকুরের আদর্শে বিবাহিত জীবন গঠন করিতে এবং অন্ততঃ আংশিকভাবেও ব্রহ্মচর্য পালন করিতে হইবে। নতুবা আমাদের কল্যাণ নাই
বিবাহ করিয়া ঠাকুরের শরীর-সম্বন্ধ সম্পূর্ণ রহিত হইয়া থাকা সম্বন্ধে কয়েকটি আপত্তি ও তাহার খণ্ডন
গুরুভাবের প্রেরণাতেই যে ঠাকুরের বিবাহ, তৎপরিচয় শ্রীশ্রীমার ঠাকুরকে জগদম্বাজ্ঞানে আজীবন পূজা করাতেই বুঝা যায়

§ পঞ্চম অধ্যায়: যৌবনে গুরুভাব
গুরু ও নেতা হওয়া মানবের ইচ্ছাধীন নহে
লোকগুরুদিগের ভিতরে বিরাট ভাবমুখী আমিত্বের বিকাশ সহজেই আসিয়া উপস্থিত হয়, সাধারণের ঐরূপ হয় না
ঠাকুরের জীবনে গুরুভাবের পূর্ণবিকাশ হইয়া উহা সহজ-ভাব হইয়া দাঁড়ায় কখন
সাধনকালে ঐ ভাব - রানী রাসমণি ও তদীয় জামাতা মথুরের সহিত ব্যবহার
ঠাকুরের অপূর্ব স্বভাব
ধনী ও পণ্ডিতদের ঠাকুরকে চিনিতে পারা কঠিন। উহার কারণ
বিবাহের পর ঠাকুরের অবস্থা। মথুরের উহা লক্ষ্য করিয়া ক্রমশঃ তাঁহার প্রতি আকৃষ্ট হওয়া। অপর সাধারণের ঠাকুরের বিষয়ে মতামত
গুরুভাবে ঠাকুরের রানী রাসমণিকে দণ্ডবিধান
উহার ফল
শ্রীচৈতন্য ও ঈশার জীবনে ঐরূপ ঘটনা
গুরুভাবের প্রেরণায় আত্মহারা ঠাকুরের অদ্ভুতপ্রকারে শিক্ষাপ্রদান ও রানী রাসমণির সৌভাগ্য
ঈশ্বরে তন্ময় মনের লক্ষণ-সম্বন্ধে শাস্ত্রমত
লোকগুরুদিগের এবং বিশেষতঃ শ্রীরামকৃষ্ণদেবের ব্যবহার বুঝা এত কঠিন কেন

§ ষষ্ঠ অধ্যায়: গুরুভাব ও মথুরানাথ
'বড় ফুল ফুটতে দেরি লাগে'
মথুরের সহিত ঠাকুরের অদ্ভুত সম্বন্ধ। মথুর কিরূপ প্রকৃতির লোক ছিল
ঠাকুরের গুরুভাব-বিকাশে রাণী রাসমণি ও মথুরের অজ্ঞাত ভাবে সহায়তা। বন্ধু বা শত্রুভাবে সম্বদ্ধ যাবতীয় লোক অবতারপুরুষের শক্তিবিকাশের সহায়তা করে
সাধারণ মানবজীবনেও ঐরূপ। কারণ, উহার সহিত অবতারপুরুষের জীবনের বিশেষ সৌসাদৃশ্য আছে
মথুর ভক্ত ছিল বলিয়া নির্বোধ ছিল না
ঠাকুরের প্রতি মথুরের প্রথমাকর্ষণ কি দেখিয়া এবং উহার ক্রমপরিণতি
ভক্তির সংক্রামিকা শক্তিতে মথুরের পরিবর্তন
বর্তমান ভাবে শিক্ষিত মথুরের ঠাকুরের সহিত তর্ক-বিচার। প্রাকৃতিক নিয়মের পরিবর্তন ঈশ্বরেচ্ছায় হইয়া থাকে। লাল জবার গাছে সাদা জবা
ঠাকুরের অবস্থা লইয়া মথুরের নিত্য বাধ্য হইয়া আন্দোলন
'মহিম্নঃস্তোত্র' পড়িতে পড়িতে ঠাকুরের সমাধি ও মথুর
ঠাকুরের নিকট অপরের সহজে আধ্যাত্মিক উন্নতিলাভ-বিষয়ে দৃষ্টান্ত
মথুরের ঠাকুরকে একাধারে শিব-শক্তিরূপে দর্শন
ঐ দর্শনের ফল
মথুরের মহাভাগ্য-সম্বন্ধে শাস্ত্রপ্রমাণ
ঠাকুরের দিন দিন গুরুভাবের অধিকতর বিকাশ ও মথুরের তাঁহাকে পরীক্ষা করিয়া অনুভব
মথুরের ভক্তিবৃদ্ধি দেখিয়া হালদার পুরোহিত
বারাণসী শালের দুর্দশা
ঠাকুরের নির্লিপ্ততা
হালদার পুরোহিতের শেষ কথা
মথুরানাথ ও তৎপত্নী জগদম্বা দাসীর ঠাকুরের উপর ভক্তি ও ঠাকুরের ঐ পরিবারের সহিত ব্যবহার
ঠাকুরের বিপরীত ভাবের একত্র সমাবেশ
দক্ষিণেশ্বরে বিগ্রহমূর্তি ভগ্ন হওয়ায় বিধান লইতে পণ্ডিতসভার আহ্বান
ঠাকুরের মীমাংসা ও ঐ বিষয়ের শেষ কথা

§ সপ্তম অধ্যায়: গুরুভাবে মথুরের প্রতি কৃপা
জানবাজারে মথুরের বাটীতে ঠাকুরকে লইয়া ৺দুর্গোৎসবের কথা
ঠাকুরের ভাবসমাধি ও রূপ
কামারপুকুরে ঠাকুরের রূপ-গুণে জনতার কথা
ঠাকুরের রূপ লইয়া ঘটনা ও তাঁহার দীনভাব
ঠাকুরের সমাধি ভাঙ্গাইতে জগদম্বা দাসীর কৌশল
ঠাকুরের সমাধি হইতে সাধারণ অবস্থায় নামিবার প্রকার শাস্ত্রসম্মত
সখীভাবে ঠাকুরের ৺দুর্গাদেবীকে চামর করা
মথুরের তাঁহাকে ঐ অবস্থায় চিনিতে না পারিয়া জিজ্ঞাসা
বিজয়া দশমী
মথুরের আনন্দে ঐ বিষয়ে হুঁশ না থাকা
দেবীমূর্তি-বিসর্জন দিবে না বলিয়া মথুরের সংকল্প
সকলে বুঝাইলেও মথুরের উত্তর
ঠাকুরের মথুরকে বুঝান
ঠাকুরের কথা ও স্পর্শের অদ্ভুত শক্তি
মথুর প্রকৃতিস্থ কিরূপে হইয়াছিল
মথুরের ভক্তিবিশ্বাসের অবিচলতা ঠাকুরকে পরীক্ষার ফলে
মথুরের ভাবসমাধিলাভের ইচ্ছা
ঐ জন্য ঠাকুরের নিকট প্রার্থনা
উদ্ধব ও গোপীদের দৃষ্টান্তে ঠাকুরের তাহাকে বুঝান
মথুরের ভাবসমাধি হওয়া ও প্রার্থনা
ত্যাগী না হইলে ভাবসমাধি স্থায়ী হয় না
ঐ বিষয়ের দৃষ্টান্ত - কাশীপুরের বাগানে আনীত জনৈক ভক্ত যুবকের কথা
আধ্যাত্মিক ভাবের আতিশয্যে উপস্থিত বিকারসকল চিনিবার ঠাকুরের শক্তি। গুরু যথার্থই ভবরোগ-বৈদ্য
ঐ যুবকের অবস্থা সম্বন্ধে ঠাকুরের মীমাংসা
ঠাকুরের মথুরকে সকল বিষয় বালকের মত খুলিয়া বলা ও মতামত লওয়া
মথুরের কল্যাণের দিকে ঠাকুরের কতদূর দৃষ্টি ছিল
ঐ বিষয়ক দৃষ্টান্ত - ফলহারিণী-পূজার প্রসাদ ঠাকুরের চাহিয়া লওয়া
বিশেষ বিশেষ পর্বদিনে ঠাকুরের ভিন্ন ভিন্ন প্রকারের ভাব-সমাধির স্বভাবতঃ উদয়
ঠাকুরের ঐরূপে প্রসাদ চাহিয়া লওয়ায় যোগানন্দ স্বামীর চিন্তা
ঠাকুরের ঐরূপ করিবার কারণ নির্দেশ
মথুরের সহিত ঠাকুরের অদ্ভুত সম্বন্ধ
মথুরের কামকীটের কথা বলিয়া বালকভাবাপন্ন ঠাকুরকে বুঝান
মথুরের সহিত ঠাকুরের ভক্তদিগের আগমনের কথা
ঠাকুরের বালকভাবের দৃষ্টান্ত - সুষনিশাক তোলার কথা
সাংসারিক বিপদে মথুরের ঠাকুরের শরণাপন্ন হওয়া
কৃপণ মথুরের ঠাকুরের জন্য অজস্র অর্থব্যয়ের দৃষ্টান্ত
ঐ বিষয়ক অন্যান্য দৃষ্টান্ত
ঠাকুরের ইচ্ছায় মথুরের বৈদ্যনাথে দরিদ্রসেবা
ঠাকুরের সহিত মথুরের সম্বন্ধ দৈবনির্দিষ্ট; ভোগবাসনা ছিল বলিয়া মথুরের পুনর্জন্ম সম্বন্ধে ঠাকুর

§ অষ্টম অধ্যায়: গুরুভাবে নিজগুরুগণের সহিত সম্বন্ধ
গুরুভাব অবতারপুরুষদিগের নিজস্ব সম্পত্তি
ঠাকুরের বহু গুরুর নিকট হইতে দীক্ষাগ্রহণ
ভৈরবী ব্রাহ্মণী বা 'বামনী'
'বামনী'র ঠাকুরকে সহায়তা
'বামনী'র বৈষ্ণব-তন্ত্রোক্তভাবে অভিজ্ঞতা
'বামনী'র রূপ-গুণ দেখিয়া মথুরের সন্দেহ
'বামনী'র পূর্বপরিচয়
ব্রাহ্মণী উচ্চদরের সাধিকা
'বামনী'র যোগলব্ধ দর্শন
ব্রাহ্মণীর শিষ্য চন্দ্রের কথা
সিদ্ধাই যোগভ্রষ্টকারী
সিদ্ধাইলাভে চন্দ্রের পতন
'বামনী'র শিষ্য গিরিজার কথা
গিরিজার সিদ্ধাই
গুরুভাবে ঠাকুরের চন্দ্র ও গিরিজার সিদ্ধাইনাশ
সিদ্ধাই ভগবানলাভের অন্তরায়; ঐ বিষয়ে ঠাকুরের 'পায়ে হেঁটে নদী পারের' গল্প
সিদ্ধাইয়ে অহঙ্কার-বৃদ্ধি-বিষয়ে ঠাকুরের 'হাতী-মরা-বাঁচা'র গল্প
'বামনী'র নির্বিকল্প অদ্বৈতভাব-লাভ হয় নাই; তদ্বিষয়ে প্রমাণ
তন্ত্রোক্ত পশু, বীর ও দিব্যভাব-নির্ণয়
বীর সাধিকা 'বামনী' দিব্যভাবের অধিকারিণী হইতে তখনও সমর্থা হন নাই
ঐ বিষয়ে প্রমাণ
ঠাকুরের কৃপায় ব্রাহ্মণীর নিজ আধ্যাত্মিক অভাববোধ ও তপস্যা করিতে গমন
তোতাপুরী গোস্বামীর কথা
ঠাকুর ও পুরী গোস্বামীর পরস্পর ভাব-আদান-প্রদানের কথা
ব্রহ্মজ্ঞ পুরুষের নির্ভীকতা ও বন্ধনবিমুক্তি সম্বন্ধে শাস্ত্র
তোতাপুরীর উচ্চ অবস্থা
তোতার নির্ভীকতা - ভৈরব-দর্শনে
তোতাপুরীর গুরুর কথা
নিজ গুরুর মঠ ও মণ্ডলীসম্বন্ধে তোতাপুরীর কথা
তোতাপুরীর পূর্ব পরিচয়
তোতাপুরীর মন
তোতাপুরীর ভক্তিমার্গে অনভিজ্ঞতা
ঐ বিষয়ে প্রমাণ - 'কেঁও রোটী ঠোকতে হো'
তোতাপুরীর ক্রোধত্যাগের কথা
মায়া কৃপা করিয়া পথ না ছাড়িলে মানবের ঈশ্বরলাভ হয় না
ঐ বিষয়ে দৃষ্টান্ত - রাম, সীতা ও লক্ষ্মণের বনে পর্যটনের কথা
জগদম্বার কৃপায় তাঁহার উচ্চাবস্থা - তোতা একথা বুঝেন নাই
তোতাপুরীর অসুস্থতা
তোতার নিজ মনের সঙ্কেত অগ্রাহ্য করা
তোতার ঠাকুরের নিকট বিদায় লইতে যাইয়াও না পারা ও রোগবৃদ্ধি
মনকে আয়ত্ত করিতে না পারিয়া তোতার গঙ্গায় শরীর বিসর্জন করিতে যাওয়া ও বিশ্বরূপিণী জগদম্বার দর্শন
তোতার পূর্বসংকল্প-ত্যাগ
অসুস্থতায় তোতার জ্ঞান - ব্রহ্ম ও ব্রহ্মশক্তি এক
তোতার জগদম্বাকে মানা ও বিদায়গ্রহণ
তোতার 'কিমিয়া'-বিদ্যায় অভিজ্ঞতা
উপসংহার

গুরুভাব - উত্তরার্ধ
নিবেদন

§ প্রথম অধ্যায়: বৈষ্ণবচরণ ও গৌরীর কথা
দক্ষিণেশ্বরাগত সাধু ও সাধকগণের সহিত ঠাকুরের গুরুভাবের সম্বন্ধ-বিষয়ে কলিকাতার লোকের অজ্ঞতা
"ফুল ফুটিলে ভ্রমর জুটে।" ধর্মদানের যোগ্যতা চাই, নতুবা প্রচার বৃথা
আধ্যাত্মিক বিষয়ে সকলেই সমান অন্ধ
ঠাকুর ধর্মপ্রচার কিভাবে করেন
ব্রাহ্মণীর সহিত মিলনকালে ঠাকুরের অবস্থা
ঠাকুরের উচ্চাবস্থা-সম্বন্ধে অপরে কি বুঝিত
ঠাকুরের অবস্থা বুঝিয়া ব্রাহ্মণী শাস্ত্রজ্ঞদের আনিতে বলায় মথুরের সিদ্ধান্ত
বৈষ্ণবচরণ ও 'ইঁদেশে'র গৌরীকে আহ্বান
বৈষ্ণবচরণের তখন কতদূর খ্যাতি
ঠাকুরের গাত্রদাহ-নিবারণে ব্রাহ্মণীর ব্যবস্থা
ঠাকুরের বিপরীত ক্ষুধা-নিবারণে ব্রাহ্মণীর ব্যবস্থা
যোগসাধনার ফলে ঐসকল অবস্থার উদয়, ঠাকুরের ঐরূপ ক্ষুধা-সম্বন্ধে আমরা যাহা দেখিয়াছি
১ম দৃষ্টান্ত - বড় একখানি সর খাওয়া
২য় দৃষ্টান্ত - কামারপুকুরে এক সের মিষ্টান্ন ও মুড়ি খাওয়া
৩য় দৃষ্টান্ত - জয়রামবাটীতে একটি মৌরলা মাছ সহায়ে এক রেক চালের পান্তাভাত খাওয়া
৪র্থ দৃষ্টান্ত - দক্ষিণেশ্বরে রাত্রি দু-প্রহরে এক সের হালুয়া খাওয়া
প্রবল মনোভাবে ঠাকুরের শরীর পরিবর্তিত হওয়া
বৈষ্ণবচরণের আগমনে দক্ষিণেশ্বরে পণ্ডিতসভা
ঠাকুরের অবস্থা-সম্বন্ধে ঐ সভায় আলোচনা
ঠাকুরের অবস্থা-সম্বন্ধে বৈষ্ণবচরণের সিদ্ধান্ত
কর্তাভজাদি সম্প্রদায়-সম্বন্ধে ঠাকুরের মত
প্রবৃত্তিপূর্ণ মানব কিরূপ ধর্ম চায়
তন্ত্রোৎপত্তির ইতিহাস ও তন্ত্রের নূতনত্ব
তন্ত্রে বীরাচারের প্রবেশেতিহাস
প্রত্যেক তন্ত্রে উত্তম ও অধম দুই বিভাগ আছে
গৌড়ীয় বৈষ্ণব-সম্প্রদায়-প্রবর্তিত নূতন পূজা-প্রণালী
ঐ প্রণালী হইতে কালে কর্তাভজাদি মতের উৎপত্তি ও সে সকলের সার কথা
কর্তাভজাদি মতে সাধ্য ও সাধনবিধি-সম্বন্ধে উপদেশ
বৈষ্ণবচরণের ঠাকুরকে কাছিবাগানের আখড়ায় লইয়া যাওয়া ও পরীক্ষা
বৈষ্ণবচরণের ঠাকুরকে ঈশ্বরাবতার-জ্ঞান
তান্ত্রিক গৌরী পণ্ডিতের সিদ্ধাই
গৌরীর আপন পত্নীকে দেবীবুদ্ধিতে পূজা
গৌরীর অদ্ভুত হোমপ্রণালী
বৈষ্ণবচরণ ও গৌরীকে লইয়া দক্ষিণেশ্বরে সভা; ভাবাবেশে ঠাকুরের বৈষ্ণবচরণের স্কন্ধারোহণ ও তাঁহার স্তব
ঠাকুরের সম্বন্ধে গৌরীর ধারণা
ঠাকুরের সংসর্গে গৌরীর বৈরাগ্য ও সংসার ত্যাগ করিয়া তপস্যায় গমন
বৈষ্ণবচরণ ও গৌরীর কথা উল্লেখ করিয়া ঠাকুরের উপদেশ - নরলীলায় বিশ্বাস
কালী ও কৃষ্ণে অভেদ-বুদ্ধি-সম্বন্ধে গৌরী
ভালবাসার পাত্রকে ভগবানের মূর্তি বলিয়া ভাবা সম্বন্ধে বৈষ্ণবচরণ
ঐ উপদেশ শাস্ত্রসম্মত - উপনিষদের যাজ্ঞবল্ক্য-মৈত্রেয়ী-সংবাদ
অবতারপুরুষেরা সর্বদা শাস্ত্রমর্যাদা রক্ষা করেন; সকল ধর্মমতকে সম্মান করা সম্বন্ধে ঠাকুরের শিক্ষা

§ দ্বিতীয় অধ্যায়: গুরুভাব ও নানা সাধু সম্প্রদায়
ঠাকুরের সাধুদের সহিত মিলন কিরূপে হয়
সাধুদের জল ও 'দিশা-জঙ্গলের' সুবিধা দেখিয়া বিশ্রাম করা
ঐ সম্বন্ধে গল্প
দক্ষিণেশ্বর কালীবাটীতে 'দিশা-জঙ্গল' ও ভিক্ষার বিশেষ সুবিধা বলিয়া সাধুদের তথায় আসা
ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন সাধুসম্প্রদায়ের আগমন
পরমহংসদেবের বেদান্তবিচার - 'অস্তি, ভাতি, প্রিয়'
জনৈক সাধুর আনন্দ-স্বরূপ উপলব্ধি করায় উচ্চাবস্থার কথা
ঠাকুরের জ্ঞানোন্মাদ সাধু-দর্শন
ব্রহ্মজ্ঞানে গঙ্গার জল ও নর্দমার জল এক বোধ হয়; পরমহংসদের বালক, পিশাচ বা উন্মাদের মত অপরে দেখে
রামাইত বাবাজীদের দক্ষিণেশ্বরে আগমন
রামলালা সম্বন্ধে ঠাকুরের কথা
ঠাকুরের মুখে রামলালার কথা শুনিয়া আমাদের কি মনে হয়
বর্তমান কালের জড়বিজ্ঞান ভোগসুখবৃদ্ধির সহায়তা করে বলিয়া আমাদের উহাতে অনুরাগ
বৌদ্ধযুগের শেষে কাপালিকদের সকাম ধর্মপ্রচারের ফল। যোগ ও ভোগ একত্র থাকা অসম্ভব
ঠাকুরের নিজের অদ্ভুত ত্যাগ এবং ত্যাগধর্মের প্রচার দেখিয়া সংসারী লোকের ভয়
রামলালার ঠাকুরের নিকট থাকিয়া যাওয়া কিরূপে হয়
ঠাকুরের দেবসঙ্গে বাবাজীর স্বার্থশূন্য প্রেমানুভব
জনৈক সাধুর রামনামে বিশ্বাস
রামাইত সাধুদের ভজন-সঙ্গীত ও দোঁহাবলী
ঠাকুরের সকল সম্প্রদায়ের সাধকদিগকে সাধনের প্রয়োজনীয় দ্রব্য দিবার ইচ্ছা ও রাজকুমারের (অচলানন্দের) কথা
ঠাকুরের 'সিদ্ধি' বা 'কারণ' বলিবামাত্র ঈশ্বরীয় ভাবে তন্ময় হইয়া নেশা; ও খিস্তি-খেউড়-উচ্চারণেও সমাধি
ঐ বিষয়ে ১ম দৃষ্টান্ত - রামচন্দ্র দত্তের বাটীতে
ঐ ২য় দৃষ্টান্ত - দক্ষিণেশ্বরে শ্রীশ্রীমার সম্মুখে
ঐ ৩য় দৃষ্টান্ত - কাশীপুরে মাতাল দেখিয়া
দক্ষিণেশ্বরে আগত সকল সম্প্রদায়ের সাধুদেরই ঠাকুরের নিকট ধর্মবিষয়ে সহায়তা-লাভ
ঠাকুর যে ধর্মমতে যখন সিদ্ধিলাভ করিতেন তখন ঐ সম্প্রদায়ের সাধুরাই তাঁহার নিকট আসিত
সকল অবতারপুরুষের সমান শক্তি-প্রকাশ দেখা যায় না, কারণ তাঁহাদের কেহ বা জাতিবিশেষকে ও কেহ বা সমগ্র মানবজাতিকে ধর্মদান করিতে আসেন
হিন্দু, য়াহুদী, ক্রীশ্চান ও মুসলমান ধর্মপ্রবর্তক অবতারপুরুষদিগের আধ্যাত্মিক শক্তি-প্রকাশের সহিত ঠাকুরের ঐ বিষয়ে তুলনা
ঠাকুরের নিকট সকল সম্প্রদায়ের সাধু-সাধকদিগের আগমন-কারণ
দক্ষিণেশ্বরাগত সাধুদিগের সঙ্গলাভেই ঠাকুরের ভিতর ধর্ম-প্রবৃত্তি জাগিয়া উঠে - একথা সত্য নহে
ঠাকুরের সমাধিতে বাহ্যজ্ঞানলোপ হওয়াটা ব্যাধি নহে; প্রমাণ - ঠাকুর ও শিবনাথ-সংবাদ
সাধনকালে ঠাকুরের উন্মত্তবৎ আচরণের কারণ
দক্ষিণেশ্বরাগত সাধকদিগের মধ্যে কেহ কেহ ঠাকুরের নিকট দীক্ষাও গ্রহণ করেন; যথা - নারায়ণ শাস্ত্রী
শাস্ত্রীজীর পূর্বকথা
ঐ পাঠসাঙ্গ ও ঠাকুরের দর্শনলাভ
ঠাকুরের দিব্যসঙ্গে শাস্ত্রীর সঙ্কল্প
শাস্ত্রীর বৈরাগ্যোদয়
শাস্ত্রীর মাইকেল মধুসূদনের সহিত আলাপে বিরক্তি
ঠাকুর ও মাইকেল-সংবাদ
শাস্ত্রীর নিজ মত দেওয়ালে লিখিয়া রাখা
শাস্ত্রীর সন্ন্যাসগ্রহণ ও তপস্যা
সাধু ও সাধকদিগকে দেখিতে যাওয়া ঠাকুরের স্বভাব ছিল
বঙ্গে ন্যায়ের প্রবেশ-কারণ
বৈদান্তিক পণ্ডিত পদ্মলোচন
পণ্ডিতের অদ্ভুত প্রতিভার দৃষ্টান্ত
'শিব বড় কি বিষ্ণু বড়'
পণ্ডিতের ঈশ্বরানুরাগ
ঠাকুরের মনের স্বভাব ও পণ্ডিতের কলিকাতায় আগমন
পণ্ডিতের ঠাকুরকে প্রথম দর্শন
পণ্ডিতের ভক্তি-শ্রদ্ধা-বৃদ্ধির কারণ
ঠাকুরের পণ্ডিতের সিদ্ধাই জানিতে পারা
পণ্ডিতের কাশীধামে শরীর-ত্যাগ
দয়ানন্দের সম্বন্ধে ঠাকুর
জয়নারায়ণ পণ্ডিত
রামভক্ত কৃষ্ণকিশোর

§ তৃতীয় অধ্যায়: গুরুভাবে তীর্থভ্রমণ ও সাধুসঙ্গ
অপরাপর আচার্য পুরুষদিগের সহিত তুলনায় ঠাকুরের জীবনের অদ্ভুত নূতনত্ব
ঠাকুর নিজ জীবনে কি সপ্রমাণ করিয়াছেন এবং তাঁহার উদার মত ভবিষ্যতে কতদূর প্রসারিত হইবে
এ বিষয়ে প্রমাণ
ঠাকুরের ভাবপ্রসার কিরূপে বুঝিতে হইবে
ঠাকুরের ভাবের প্রথম প্রচার হয় দক্ষিণেশ্বরাগত এবং তীর্থে দৃষ্ট সকল সম্প্রদায়ের সাধুদের ভিতরে
জীবনে উচ্চাবচ নানা অদ্ভুত অবস্থায় পড়িয়া নানা শিক্ষা পাইয়াই ঠাকুরের ভিতর অপূর্ব আচার্যত্ব ফুটিয়া উঠে
তীর্থ-ভ্রমণে ঠাকুর কি শিখিয়াছিলেন; ঠাকুরের ভিতর দেব ও মানব উভয় ভাব ছিল
ঠাকুরের ন্যায় দিব্যপুরুষদিগের তীর্থপর্যটনের কারণ সম্বন্ধে শাস্ত্র কি বলেন
তীর্থ ও দেবস্থান দেখিয়া 'জাবর কাটিবার' উপদেশ
ভক্তিভাব পূর্বে হৃদয়ে আনিয়া তবে তীর্থে যাইতে হয়
স্বামী বিবেকানন্দের বুদ্ধগয়াগমনে তথায় গমনোৎসুক জনৈক ভক্তকে ঠাকুর যাহা বলেন
'যার হেথায় আছে, তার সেথায় আছে'
ঠাকুরের সরল মন তীর্থে যাইয়া কি দেখিবে ভাবিয়াছিল
'ভক্ত হবি, তা ব'লে বোকা হবি কেন?' ঠাকুরের যোগানন্দ স্বামীকে ঐ বিষয়ে উপদেশ
কাশীবাসীদিগের বিষয়ানুরাগদর্শনে ঠাকুর - 'মা, তুই আমাকে এখানে কেন আনলি?'
ঠাকুরের 'স্বর্ণময়ী কাশী'-দর্শন
কাশীকে 'সুবর্ণ-নির্মিত' কেন বলে?
স্বর্ণময় কাশী দেখিয়া ঠাকুরের ঐ স্থান অপবিত্র করিতে ভয়
কাশীতে মরিলেই জীবের মুক্তি হওয়া সম্বন্ধে ঠাকুরের মণিকর্ণিকায় দর্শন
ঠাকুরের ত্রৈলঙ্গ স্বামীকে দর্শন
শ্রীবৃন্দাবনে 'বাঁকাবিহারী'-মূর্তি ও ব্রজ-দর্শনে ঠাকুরের ভাব
ব্রজে ঠাকুরের বিশেষ প্রীতি
নিধুবনের গঙ্গামাতা; ঠাকুরের ঐ স্থানে থাকিবার ইচ্ছা; পরে বুড়ো মার সেবা কে করিবে ভাবিয়া কলিকাতায় ফিরা
ঠাকুরের জীবনে পরস্পরবিরুদ্ধ ভাব ও গুণসকলের অপূর্ব সম্মিলন; সন্ন্যাসী হইয়াও ঠাকুরের মাতৃসেবা
সমাধিস্থ হইয়া শরীরত্যাগ হইবে ভাবিয়া ঠাকুরের গয়াধামে যাইতে অস্বীকার; ঐরূপ ভাবের কারণ কি?
কার্য-পদার্থের কারণ-পদার্থে লয় হওয়াই নিয়ম
অবতারপুরুষদিগের জীবন-রহস্যের মীমাংসা করিতে কর্মবাদ সক্ষম নহে; উহার কারণ
মুক্তাত্মার শাস্ত্রনির্দিষ্ট লক্ষণসকল অবতারপুরুষে বাল্যকালাবধি প্রকাশ দেখিয়া দার্শনিকগণের মীমাংসা; সাংখ্য-মতে তাঁহারা 'প্রকৃতি-লীন'-শ্রেণীভুক্ত
বেদান্ত বলেন, তাঁহারা 'আধিকারিক' এবং ঐ শ্রেণীর পুরুষদিগের ঈশ্বরাবতার ও নিত্যমুক্ত ঈশ্বরকোটীরূপ দুই বিভাগ আছে
আধিকারিক পুরুষদিগের শরীর-মন সাধারণ মানবাপেক্ষা ভিন্ন উপাদানে গঠিত; সেজন্য তাঁহাদের সঙ্কল্প ও কার্য সাধারণাপেক্ষা বিভিন্ন ও বিচিত্র
ঠাকুরের নবদ্বীপ-দর্শন
ঠাকুরের চৈতন্য মহাপ্রভু সম্বন্ধে পূর্বমত এবং নবদ্বীপে দর্শনলাভে ঐ মতের পরিবর্তন
ঠাকুরের কালনায় গমন
ভগবানদাস বাবাজীর ত্যাগ, ভক্তি ও প্রতিপত্তি
ঠাকুরের তপস্যাকালে ভারতে ধর্মান্দোলন
ঠাকুরের কলুটোলার হরিসভায় গমন
ঐ সভায় ভাগবত পাঠ
ঠাকুরের 'চৈতন্যাসন'-গ্রহণ
ঐরূপ করায় বৈষ্ণবসমাজে আন্দোলন
চৈতন্যাসন-গ্রহণের কথা শুনিয়া ভগবানদাসের বিরক্তি
ঠাকুরের ভগবানদাসের আশ্রমে গমন
হৃদয়ের বাবাজীকে ঠাকুরের কথা বলা
বাবাজীর জনৈক সাধুর কার্যে বিরক্তি-প্রকাশ
বাবাজীর লোকশিক্ষা দিবার অহঙ্কার
বাবাজীর ঐরূপ বিরক্তি ও অহঙ্কার দেখিয়া ঠাকুরের ভাবাবেশে প্রতিবাদ
বাবাজীর ঠাকুরের কথা মানিয়া লওয়া
ঠাকুর ও ভগবানদাসের প্রেমালাপ ও মথুরের আশ্রমস্থ সাধুদের সেবা

§ চতুর্থ অধ্যায়: গুরুভাব-সম্বন্ধে শেষ কথা
বেদে ব্রহ্মজ্ঞ পুরুষকে সর্বজ্ঞ বলায় আমাদের না বুঝিয়া বাদানুবাদ
ঠাকুর উহা কি ভাবে সত্য বলিয়া বুঝাইতেন; "ভাতের হাঁড়ির একটি ভাত টিপে বুঝা, সিদ্ধ হয়েছে কি না"
কোন বিষয়ের উৎপত্তির কারণ হইতে লয় অবধি জানাই তদ্বিষয়ের সর্বজ্ঞতা; ঈশ্বর-লাভে জগৎ-সম্বন্ধেও তদ্রূপ হয়
ব্রহ্মজ্ঞ পুরুষ সিদ্ধসঙ্কল্প হন, একথাও সত্য। ঐকথার অর্থ। ঠাকুরের জীবন দেখিয়া ঐ সম্বন্ধে কি বুঝা যায়। "হাড়মাসের খাঁচায় মন আনতে পারলুম না!"
ঐ বিষয় বুঝিতে ঠাকুরের জীবন হইতে আর একটি ঘটনার উল্লেখ। "মন উঁচু বিষয়ে রয়েচে, নীচে নামাতে পারলুম না"
ঠাকুরের দুই দিক দিয়া দুই প্রকারের সকল বস্তু ও বিষয় দেখা
অদ্বৈত ভাবভূমি ও সাধারণ ভাবভূমি - ১মটি হইতে ইন্দ্রিয়াতীত দর্শন; ২য়টি হইতে ইন্দ্রিয় দ্বারা দর্শন
সাধারণ মানব ২য় প্রকারেই সকল বিষয় দেখে
ঠাকুরের দুই প্রকার দৃষ্টির দৃষ্টান্ত
ঐ সম্বন্ধে ঠাকুরের নিজের কথা ও দর্শন - "ভিন্ন ভিন্ন খোলগুলোর ভেতর থেকে মা উঁকি মারচে! রমণী বেশ্যাও মা হয়েছে!"
ঠাকুরের ইন্দ্রিয়, মন ও বুদ্ধির সাধারণাপেক্ষা তীক্ষ্ণতা। উহার কারণ - ভোগসুখে অনাসক্তি। আসক্ত ও অনাসক্ত মনের কার্যতুলনা
ঠাকুরের মনের তীক্ষ্ণতার দৃষ্টান্ত
সাংখ্য-দর্শন সহজে বুঝান - "বে-বাড়ির কর্তা-গিন্নী"
ব্রহ্ম ও মায়া এক বুঝান - "সাপ চলছে ও সাপ স্থির"
ঈশ্বর মায়াবদ্ধ নন - "সাপের মুখে বিষ থাকে, কিন্তু সাপ মরে না"
ঠাকুরের প্রকৃতিগত অসাধারণ পরিবর্তনসকল দেখিতে পাইয়া ধারণা - ঈশ্বর আইন বা নিয়ম বদলাইয়া থাকেন
বজ্রনিবারক দণ্ডের কথায় ঠাকুরের নিজ দর্শন বলা - 'তেতলা বাড়ির কোলে কুঁড়েঘর, তাইতে বাজ পড়লো'
রক্তজবার গাছে শ্বেতজবা-দর্শন
প্রকৃতিগত অসাধারণ দৃষ্টান্তগুলি হইতেই ঠাকুরের ধারণা - জগৎ-সংসারটা জগদম্বার লীলাবিলাস
ঠাকুরের উচ্চ ভাবভূমি হইতে স্থানবিশেষে প্রকাশিত ভাবের জমাটের পরিমাণ বুঝা
চৈতন্যদেবের বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণের লীলাভূমিসকল আবিষ্কার করা বিষয়ের প্রসিদ্ধি
ঠাকুরের জীবনে ঐরূপ ঘটনা - বন-বিষ্ণুপুরে ৺মৃন্ময়ী দেবীর পূর্বমূর্তি ভাবে দর্শন
বিষ্ণুপুর শহরের অবস্থা
৺মদনমোহন
৺মৃন্ময়ী
ঠাকুরের ঐরূপে ব্যক্তিগত ভাব ও উদ্দেশ্য ধরিবার ক্ষমতা - ১ম দৃষ্টান্ত
ঐ বিষয়ে ২য় দৃষ্টান্ত - স্বামী বিবেকানন্দ ও তাঁহার দক্ষিণেশ্বরাগত সহপাঠিগণ
'চেষ্টা করলেই যার যা ইচ্ছা হ'তে পারে না'
৩য় দৃষ্টান্ত - পণ্ডিত শশধরকে দেখিতে যাইয়া ঠাকুরের জলপান করা
ঠাকুরের মানসিক গঠন কি ভাবের ছিল এবং কোন্ বিষয়টির দ্বারা তিনি সকল বস্তু ও ব্যক্তিকে পরিমাপ করিয়া তাহাদের মূল্য বুঝিতেন
ঐ বিষয়ে দৃষ্টান্ত - "চাল-কলা-বাঁধা বিদ্যায় আমার কাজ নেই"
২য় দৃষ্টান্ত - ধ্যান করিতে বসিবামাত্র শরীরের সন্ধিস্থলগুলিতে কাহারও যেন চাবি লাগাইয়া বন্ধ করিয়া দেওয়া - এই অনুভব ও শূলধারী এক ব্যক্তিকে দেখা
৩য় দৃষ্টান্ত - জগদম্বার পাদপদ্মে ফুল দিতে যাইয়া নিজের মাথায় দেওয়া ও পিতৃ তর্পণ করিতে যাইয়া উহা করিতে না পারা। নিরক্ষর ঠাকুরের আধ্যাত্মিক অনুভবসকলের দ্বারা বেদাদি শাস্ত্র সপ্রমাণ হয়
অদ্বৈতভাব লাভ করাই মানবজীবনের উদ্দেশ্য। ঐ ভাবে 'সব শেয়ালের এক রা।' শ্রীচৈতন্যের ভক্তি বাহিরের দাঁত ও অদ্বৈতজ্ঞান ভিতরের দাঁত ছিল। অদ্বৈতজ্ঞানের তারতম্য লইয়াই ঠাকুর ব্যক্তি ও সমাজে উচ্চাবচ অবস্থা স্থির করিতেন
স্বসংবেদ্য ও পরসংবেদ্য দর্শন
বস্তু ও ব্যক্তিসকলের অবস্থা সম্বন্ধে স্থির সিদ্ধান্তে না আসিয়া ঠাকুরের মন নিশ্চিন্ত থাকিতে পারিত না
সাধারণ ভাবভূমি হইতে ঠাকুর যাহা দেখিয়াছিলেন - শাক্ত ও বৈষ্ণবের বিদ্বেষ
নিজ পরিবারবর্গের ভিতর ঐ বিদ্বেষ দূর করিবার জন্য সকলকে শক্তিমন্ত্রে দীক্ষাগ্রহণ করান
সাধুদের ঔষধ দেওয়ার প্রথার উৎপত্তি ও ক্রমে উহাতে সাধুদের আধ্যাত্মিক অবনতি
কেবলমাত্র ভেকধারী সাধুদের সম্বন্ধে ঠাকুরের মত
যথার্থ সাধুদের জীবন হইতেই শাস্ত্রসকল সজীব থাকে
যথার্থ সাধুদের ভিতরেও একদেশী ভাব দেখা
তীর্থে ধর্মহীনতার পরিচয় পাওয়া। আমাদের দেখা-শুনায় ও ঠাকুরের দেখা-শুনায় কত প্রভেদ
ঠাকুরের নিজ উদার মতের অনুভব
'সর্ব ধর্ম সত্য - যত মত, তত পথ', একথা জগতে তিনিই যে প্রথমে অনুভব করিয়াছেন, ইহা ঠাকুরের ধরিতে পারা
জগৎকে ধর্মদান করিতে হইবে বলিয়াই জগদম্বা তাঁহাকে অদ্ভুতশক্তিসম্পন্ন করিয়াছেন, ঠাকুরের ইহা অনুভব করা
আমাদের ন্যায় অহঙ্কারের বশবর্তী হইয়া ঠাকুর আচার্যপদবী গ্রহণ করেন নাই
ঐ বিষয়ে প্রমাণ - ভাবমুখে ঠাকুরের জগদম্বার সহিত কলহ
ঐ বিষয়ে ২য় দৃষ্টান্ত
ঠাকুরের অনুভব: "সরকারী লোক - আমাকে জগদম্বার জমিদারির যেখানে যখনই গোলমাল হইবে সেখানেই তখন গোল থামাইতে ছুটিতে হইবে"
নিজ ভক্তগণকে দেখিবার জন্য ঠাকুরের প্রাণ ব্যাকুল হওয়া
ঠাকুরের ধারণা - 'যার শেষ জন্ম সেই এখানে আসবে; যে ঈশ্বরকে একবারও ঠিক ঠিক ডেকেছে, তাকে এখানে আসতে হবেই হবে'
জগদম্বার প্রতি একান্ত নির্ভরেই ঠাকুরের ঐরূপ ধারণা আসিয়া উপস্থিত হয়
ঠাকুরের ঐ কথার অর্থ
গুরুভাবের ঘনীভূতাবস্থাকেই তন্ত্র দিব্যভাব বলিয়াছে। দিব্যভাবে উপনীত গুরুগণ শিষ্যকে কিরূপে দীক্ষা দিয়া থাকেন
শ্রীগুরুর দর্শন, স্পর্শন ও সম্ভাষণমাত্রেই শিষ্যের জ্ঞানের উদয় হওয়াকে শাম্ভবী দীক্ষা বলে; এবং গুরুর শক্তি শিষ্য-শরীরে প্রবিষ্ট হইয়া তাহার ভিতর জ্ঞানের উদয় করিয়া দেওয়াকেই শাক্তী দীক্ষা কহে
ঐরূপ দীক্ষায় কালাকাল-বিচারের আবশ্যকতা নাই
দিব্যভাবাপন্ন গুরুগণের মধ্যে ঠাকুর সর্বশ্রেষ্ঠ - উহার কারণ
অবতারমহাপুরুষগণের ভিতরে সকল সময় সকল শক্তি প্রকাশিত থাকে না। ঐ বিষয়ে প্রমাণ
ঠাকুরের ভক্তপ্রবর কেশবচন্দ্রের সহিত মিলন এবং উহার পরেই তাঁহার নিজ ভক্তগণের আগমন

§ পঞ্চম অধ্যায়: ভক্তসঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণ - ১৮৮৫ খৃষ্টাব্দের নবযাত্রা
ঠাকুরে দেব ও মানব উভয় ভাবের সম্মিলন
শ্রীযুত বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর দর্শন
ঠাকুরের ভক্তদের সহিত অলৌকিক আচরণে তাহাদের মনে কি হইত
স্বামী প্রেমানন্দের ভাবসমাধি-লাভের ইচ্ছায় ঠাকুরকে ধরায় তাঁহার ভাবনা ও দর্শন
ঠাকুরের ভক্তদের সম্বন্ধে এত ভাবনা কেন তাহা বুঝাইয়া দেওয়া। হাজরার ঠাকুরকে ভাবিতে বারণ করায় তাঁহার দর্শন ও উত্তর
স্বামী বিবেকানন্দের ঠাকুরকে ঐ বিষয় বারণ করায় তাঁহার দর্শন ও উত্তর
ঠাকুরের গুণী ও মানী ব্যক্তিকে সম্মান করা - উহার কারণ
ঠাকুর অভিমানরহিত হইবার জন্য কতদূর করিয়াছিলেন
ঠাকুরের অভিমানরাহিত্যের দৃষ্টান্ত: কৈলাস ডাক্তার ও ত্রৈলোক্যবাবু সম্বন্ধীয় ঘটনা
বিষয়ী লোকের বিপরীত ব্যবহার
ঠাকুরের প্রকট হইবার সময় ধর্মান্দোলন ও উহার কারণ
পণ্ডিত শশধরের ঐ সময়ে কলিকাতায় আগমন ও ধর্মব্যাখ্যা
ঠাকুরের শশধরকে দেখিবার ইচ্ছা
ঠাকুরের শুদ্ধ মনে উদিত বাসনাসমূহ সর্বদা সফল হইত
১৮৮৫ খৃষ্টাব্দের নবযাত্রার সময় ঠাকুর যথায় যথায় গমন করেন
ঈশানবাবুর পরিচয়
যোগানন্দ স্বামীর আচার-নিষ্ঠা
বলরাম বসুর বাটীতে রথোৎসব
স্ত্রী-ভক্তদিগের ঠাকুরের প্রতি অনুরাগ
ঠাকুরের অন্যমনে চলা ও জনৈকা স্ত্রী-ভক্তের আত্মহারা হইয়া পশ্চাতে আসা
ঠাকুরের ঐরূপ অন্যমনে চলিবার আর কয়েকটি দৃষ্টান্ত; ঐরূপ হইবার কারণ
স্ত্রী-ভক্তটিকে ঠাকুরের দক্ষিণেশ্বরে যাইতে আহ্বান
নৌকায় যাইতে যাইতে স্ত্রী-ভক্তের প্রশ্নে ঠাকুরের উত্তর - "ঝড়ের আগে এঁটো পাতার মত হয়ে থাকবে"
দক্ষিণেশ্বরে পৌঁছিয়া ঠাকুরের ভাবাবেশ ও ক্ষত শরীরে দেবতাস্পর্শনিষেধ-সম্বন্ধে ভক্তদের প্রমাণ পাওয়া
ভাবাবেশে কুণ্ডলিনী-দর্শন ও ঠাকুরের কথা
ভাবভঙ্গে আগত ভক্তেরা সব কি খাইবে বলিয়া ঠাকুরের চিন্তা ও স্ত্রী-ভক্তদের বাজার করিতে পাঠান
বালকস্বভাব ঠাকুরের বালকের ন্যায় ভয়
শশধর পণ্ডিতের দ্বিতীয় দিবস ঠাকুরকে দর্শন
ঠাকুর ঐ দিনের কথা জনৈক ভক্তকে নিজে যেমন বলিয়াছিলেন
ঠাকুরের অলৌকিক ব্যবহার দেখিয়া অন্যান্য অবতারের সম্বন্ধে প্রচলিত ঐরূপ কথাসকল সত্য বলিয়া বিশ্বাস হয়

§ ষষ্ঠ অধ্যায়: ভক্তসঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণ - গোপালের মার পূর্বকথা
গোপালের মার ঠাকুরকে প্রথম দর্শন
পটলডাঙ্গার ৺গোবিন্দচন্দ্র দত্ত
তাঁহার ভক্তিমতী পত্নী
তাঁহার পুরোহিত-বংশ। বালবিধবা অঘোরমণি
অঘোরমণির আচারনিষ্ঠা
গোবিন্দবাবুর ঠাকুরবাটীতে বাস ও তপস্যা
প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের স্ত্রীলোকদিগের ধর্মনিষ্ঠা বিভিন্নভাবে প্রকাশ
অঘোরমণির ঠাকুরকে দ্বিতীয়বার দর্শন
ঠাকুরের গোবিন্দবাবুর বাগানে আগমন
অঘোরমণির অলৌকিক বালগোপাল-মূর্তি-দর্শনে অবস্থা
ঐ অবস্থায় দক্ষিণেশ্বরে ঠাকুরের নিকট আগমন
ঠাকুরের ঐ অবস্থা দুর্লভ বলিয়া প্রশংসা করা এবং তাঁহাকে শান্ত করা
ঠাকুরের গোপালের মাকে বলা - 'তোমার সব হয়েছে'

§ সপ্তম অধ্যায়: ভক্তসঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণ - ১৮৮৫ খৃষ্টাব্দের পুনর্যাত্রা ও গোপালের মার শেষকথা
বলরাম বসুর বাটীতে পুনর্যাত্রা উপলক্ষ্যে উৎসব
ঠাকুরের শ্রীচৈতন্যদেবের সঙ্কীর্তন দেখিবার সাধ ও তদ্দর্শন। বলরাম বসুকে উহার ভিতর দর্শন করা
বলরামের নানাস্থানে ঠাকুর-সেবার ও শুদ্ধ অন্নের কথা
ঠাকুরের চারিজন রসদ্দার ও বলরামবাবুর সেবাধিকার
ঠাকুর 'আমি' 'আমার' শব্দের পরিবর্তে সর্বদা 'এখানে' 'এখানকার' বলিতেন। উহার কারণ
রসদ্দারেরা কে কি ভাবে কতদিন ঠাকুরের সেবা করে
'বলরামের পরিবার সব এক সুরে বাঁধা'
বলরামের বাটীতে রথোৎসব আড়ম্বরশূন্য ভক্তির ব্যাপার
স্ত্রী-ভক্তদিগের সহিত ঠাকুরের অপূর্ব সম্বন্ধ
ঠাকুরের স্ত্রী-ভক্তদিগকে গোপালের মার দর্শনের কথা বলা ও তাঁহাকে আনিতে পাঠান
অপরাহ্ণে ঠাকুরের সহসা গোপাল-ভাবাবেশ ও পরক্ষণেই গোপালের মার আগমন
ঠাকুর ভাবাবেশে যখন যাহা করিতেন তাহাই সুন্দর দেখাইত। উহার কারণ
পুনর্যাত্রাশেষে ঠাকুরের দক্ষিণেশ্বরে আগমন
নৌকায় যাইবার সময় ঠাকুরের গোপালের মার পুঁটুলি দেখিয়া বিরক্তি। ভক্তদের প্রতি ঠাকুরের যেমন ভালবাসা তেমনি কঠোর শাসনও ছিল
ঠাকুরের বিরক্তি-প্রকাশে গোপালের মার কষ্ট ও শ্রীশ্রীমার তাঁহাকে সান্ত্বনা দেওয়া
গোপালের মার ঠাকুরে ইষ্ট-বুদ্ধি দৃঢ় হইবার পর যেরূপ দর্শনাদি হইত
ঠাকুরের নিকটে মাড়োয়ারী ভক্তদের আসা-যাওয়া
কামনা-করিয়া-দেওয়া জিনিস ঠাকুর গ্রহণ ও ভোজন করিতে পারিতেন না। ভক্তদেরও উহা খাইতে দিতেন না
মাড়োয়ারীদের-দেওয়া খাদ্যদ্রব্য নরেন্দ্রনাথকে পাঠান
গোপালের মাকে ঠাকুরের মাড়োয়ারীদের প্রদত্ত মিছরি দেওয়া
দর্শনের কথা অপরকে বলিতে নাই
স্বামী বিবেকানন্দের সহিত ঠাকুরের গোপালের মার পরিচয় করিয়া দেওয়া
গোপালের মার নিমন্ত্রণে ঠাকুরের কামারহাটির বাগানে গমন ও তথায় প্রেতযোনিদর্শন
কাশীপুরের বাগানে ঠাকুরের গোপালের মাকে ক্ষীর খাওয়ান ও বলা - তাঁহার মুখ দিয়া গোপাল খাইয়া থাকেন
গোপালের মার বিশ্বরূপ-দর্শন
বরাহনগর মঠে গোপালের মা
পাশ্চাত্য মহিলাগণ-সঙ্গে গোপালের মা
সিস্টার নিবেদিতার ভবনে গোপালের মা
গোপালের মার শরীরত্যাগ
গোপালের মার কথার উপসংহার

§ পরিশিষ্ট: ঠাকুরের মানুষভাব
শ্রীরামকৃষ্ণদেবের যোগবিভূতিসকলের কথা শুনিয়াই সাধারণ মানবের তাঁহার প্রতি ভক্তি
সত্য হইলেও ঐ সকলের আলোচনা আমাদের উদ্দেশ্য নয়, কারণ সকাম ভক্তি উন্নতির হানিকর
যথার্থ ভক্তি ভক্তকে উপাস্যের অনুরূপ করিবে
অবতারপুরুষের জীবনালোচনায় কোন্ কোন্ অপূর্ব বিষয়ের পরিচয় পাওয়া যায়
শ্রীরামকৃষ্ণদেবের জন্মভূমি কামারপুকুর গ্রাম
বালক রামকৃষ্ণের বিচিত্র কার্যকলাপ
তাঁহার সত্যান্বেষণ
ঐ সত্যান্বেষণের ফল
শ্রীরামকৃষ্ণদেবের সামান্য কথার গভীর অর্থ
দৈনন্দিন জীবনে যে সকল বিষয়ের তাঁহাতে পরিচয় পাওয়া যাইত
শ্রীরামকৃষ্ণদেবের ধর্মপ্রচার কিভাবে কতদূর হইয়াছে ও পরে হইবে

ঠাকুরের দিব্যভাব ও নরেন্দ্রনাথ
নিবেদন
প্রকাশকের নিবেদন

§ পূর্বকথা
দিব্যভাবের বিশেষ প্রকাশ ঠাকুরের জীবনে কতকাল ছিল - তন্নির্ণয়
ঠাকুরের জীবনের শেষ দ্বাদশ বর্ষে ঐ ভাবের বিশেষ প্রকাশ কেন বলা যায়
দিব্যভাবের সহায়ে ঠাকুর পাশ্চাত্য ভাব-বন্যার গ্লানি হইতে ভারতকে মুক্ত করিয়াছেন
দিব্যভাবের প্রকাশ মানব-জীবনে কখন উপস্থিত হয়
অবতারপুরুষদিগের জীবনে ঐ স্বভাবের বিশেষ প্রকাশ থাকায় তাঁহাদিগের চরিত্র এত দুর্বোধ্য ও রহস্যময়
উক্ত ভাবাবলম্বনে ঠাকুর যে-সকল কার্য করিয়াছেন তাহাদিগের সাতটি প্রধান বিভাগ-নির্দেশ

§ প্রথম অধ্যায় - প্রথম পাদ: ব্রাহ্মসমাজে ঠাকুরের প্রভাব
কেশব-প্রমুখ ব্রাহ্মগণের ঠাকুরের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভক্তি
ঠাকুরের ব্রাহ্মগণের সহিত সপ্রেম সম্বন্ধ
ঠাকুর তাঁহাদিগের মতের লোক - ব্রাহ্মদিগের এইরূপ ধারণা হইবার কারণ
ব্রাহ্ম সাধকদিগকে ঠাকুরের সাধনপথে অগ্রসর করা
ব্রাহ্মগণকে 'ল্যাজা-মুড়ো' বাদ দিয়া তাঁহার কথা গ্রহণ করিতে বলিবার কারণ
ঠাকুরের রহস্যচ্ছলে শিক্ষাপ্রদান
ব্রাহ্মগণকে শিক্ষাপ্রদান - ঐশ্বর্যজ্ঞানে ঈশ্বরকে আপনার করা যায় না
ঈশ্বরের স্বরূপের অন্ত নির্দেশ করা যায় না
ভারতবর্ষীয় সমাজের রূপ-পরিবর্তন
ঠাকুরের আবিষ্কৃত তত্ত্বের কিয়দংশ গ্রহণপূর্বক কেশবের 'নববিধান' আখ্যাপ্রদান ও প্রচার
ঠাকুর কেশবকে কতদূর আপনার জ্ঞান করিতেন
ঠাকুরের প্রভাবে বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর মত-পরিবর্তন ও ব্রাহ্মসমাজ পরিত্যাগ
বিজয় অতঃপর সাধনায় কতদূর অগ্রসর হইয়াছিলেন
'শিব-রামের যুদ্ধ' কথায় কেশব ও বিজয়ের মনোমালিন্য দূর হওয়া
ঠাকুরের প্রভাবে ব্রাহ্মসঙ্ঘ ভাঙ্গিয়া যাইবে বলিয়া আচার্য শিবনাথের দক্ষিণেশ্বর-গমনে বিরত হওয়া
ব্রাহ্মসমাজে ঠাকুরের প্রভাব সম্বন্ধে আচার্য প্রতাপচন্দ্রের কথা
সাধারণ ব্রাহ্মসমাজে ঠাকুরের প্রভাব
ব্রহ্মসঙ্গীতে ঠাকুরের প্রভাব
ব্রাহ্মধর্ম ঈশ্বরলাভের অন্যতম পথ বলিয়া ঠাকুরের ঘোষণা

§ প্রথম অধ্যায় - দ্বিতীয় পাদ: মণিমোহন মল্লিকের বাটীতে ব্রাহ্মোৎসব
ঘটনার সময় নির্ণয়
বৈকুণ্ঠনাথ সান্যালের সহিত পরিচয়
বাবুরামের সহিত প্রথম আলাপ
মণি মল্লিকের বৈঠকখানায় অপূর্ব কীর্তন
ঠাকুরের অপূর্ব নৃত্য
বিজয় গোস্বামীর সহিত ঠাকুরের রহস্যালাপ
ঠাকুরের ভক্তের প্রতি ভালবাসা
মণি মল্লিকের ভক্ত-পরিবার

§ প্রথম অধ্যায় - তৃতীয় পাদ: জয়গোপাল সেনের বাটীতে ঠাকুর
জয়গোপাল সেনের বাটী
ঠাকুরের উপদেশ দিবার প্রণালী
তাঁহার উপদেশপ্রণালীর অন্য বিশেষত্ব
উপলব্ধি-রহিত বাক্যচ্ছটায় ঠাকুরের বিরক্তি
সংসারে থাকিয়া ঈশ্বর-সাধনা সম্বন্ধে ঠাকুরের উপদেশ
কীর্তনানন্দ

§ দ্বিতীয় অধ্যায়: পূর্ব-পরিদৃষ্ট ভক্তগণের ঠাকুরের নিকটে আগমনারম্ভ
ব্রাহ্মসমাজের নিকট হইতে ঠাকুরও কিছু শিখিয়াছিলেন
পাশ্চাত্য ভাবসহায়ে ভারতবাসীর জীবন কতদূর পরিবর্তিত হইতেছে তাহার পরিচয়প্রাপ্তি
পাশ্চাত্য মনীষিগণের শিক্ষার সহিত না মিলাইয়া ইহারা ভারতের ঋষিদিগের প্রত্যক্ষসকল গ্রহণ করিবে না
জগদম্বার ইচ্ছায় ঐরূপ হইয়াছে জানিয়া ঠাকুরের নিশ্চিন্ত ভাব
ব্রহ্মবিজ্ঞানের সমগ্র গ্রহণে ব্রাহ্মগণ অশক্ত বুঝিয়া ঠাকুর কি করিয়াছিলেন
ব্রাহ্মগণের দ্বারা কলিকাতাবাসীর মন ঠাকুরের প্রতি আকৃষ্ট হওয়া; রাম ও মনোমোহনের আগমন ও আশ্রয়লাভ
ঠাকুরের অদ্ভুত দর্শন ও রাখালচন্দ্রের আগমন
রাখালের বালকভাব
রাখালের পত্নী
রাখালের বালকভাবের হানি
রাখালকে শাসন
রাখালের মনে হিংসা ও ঠাকুরের ভয়
রাখালের শ্রীবৃন্দাবন গমন
রাখালের অসুস্থতায় ঠাকুরের ভয়
রাখালের ভবিষ্যৎ জীবন
নরেন্দ্রনাথের আগমন

§ তৃতীয় অধ্যায়: নরেন্দ্রনাথের প্রথম আগমন ও পরিচয়
দিব্যভাবারূঢ় ঠাকুরের মানসিক অবস্থার আলোচনা
সুরেন্দ্রের বাটীতে ঠাকুর ও নরেন্দ্রনাথের পরস্পরকে প্রথম দর্শন
নরেন্দ্রকে দক্ষিণেশ্বরে যাইতে ঠাকুরের আমন্ত্রণ
নরেন্দ্রের বিবাহ করিতে অসম্মতি ও দক্ষিণেশ্বরে প্রথম আগমন
নরেন্দ্রকে দেখিয়া ঠাকুরের যাহা মনে হইয়াছিল
নরেন্দ্রের গান
নরেন্দ্রকে দেখিবার জন্য ঠাকুরের ব্যাকুলতা
ঠাকুরের ঐ দিবসের কথা ও ব্যবহার সম্বন্ধে নরেন্দ্রের বিবরণ
নরেন্দ্রের পুনরায় আসিবার প্রতিশ্রুতি
প্রথম দর্শনে ঠাকুরের সম্বন্ধে নরেন্দ্রের ধারণা - ইনি অর্ধোন্মাদ কিন্তু ঈশ্বরার্থে যথার্থই সর্বস্বত্যাগী
নরেন্দ্রের এই কালের ধর্মানুষ্ঠান
ব্রাহ্মসমাজে গমনাগমন
নরেন্দ্রের অদ্ভুত কল্পনাদ্বয়
নরেন্দ্রের স্বাভাবিক ধ্যানানুরাগ
মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথের উপদেশে ঐ অনুরাগবৃদ্ধি
নরেন্দ্রের বহুমুখী প্রতিভা
নরেন্দ্রের পড়িবার ঝোঁক
দ্রুত পাঠ করিবার শক্তি
নরেন্দ্রের তর্কশক্তি
নরেন্দ্রের ব্যায়াম-অভ্যাসে অনুরাগ
বয়স্যপ্রীতি ও সাহস
কৌশলে 'সিরাপিস্' নামক রণতরী-দর্শনের অনুজ্ঞালাভ
আখড়ায় ট্রাপিজ খাটাইবার কালে বিভ্রাট
নরেন্দ্রের সত্যনিষ্ঠা
নির্দোষ আনন্দপ্রিয়তা
দরিদ্রের প্রতি নরেন্দ্রনাথের দয়া
নরেন্দ্রের ক্রোধ
নরেন্দ্রের মস্তিষ্ক ও হৃদয়ের সমসমান উৎকর্ষ
নরেন্দ্রের প্রথম ধ্যানতন্ময়তা - রায়পুর যাইবার পথে
নরেন্দ্রের সন্ন্যাসী পিতামহ
নরেন্দ্রের পিতা বিশ্বনাথ
বিশ্বনাথের সঙ্গীত-প্রিয়তা
বিশ্বনাথের মুসলমানী আচার-ব্যবহার
বিশ্বনাথের রঙ্গরস-প্রিয়তা
বিশ্বনাথের দানশীলতা
বিশ্বনাথের মৃত্যু
নরেন্দ্রের মাতা

§ চতুর্থ অধ্যায়: নরেন্দ্রনাথের দ্বিতীয় ও তৃতীয়বার আগমন
যথার্থ ঈশ্বর-প্রেমিক বলিয়া ধারণা করিয়াও দ্বিতীয়বার নরেন্দ্রের ঠাকুরের নিকটে আসিতে বিলম্ব করিবার কারণ
নরেন্দ্রের দ্বিতীয়বার আগমন ও ঠাকুরের প্রভাবে সহসা অদ্ভুত প্রত্যক্ষানুভূতি
ঐরূপ প্রত্যক্ষের কারণান্বেষণে ও ভবিষ্যতে পুনরায় ঐরূপে অভিভূত না হইয়া পড়িবার জন্য নরেন্দ্রের চেষ্টা
ঠাকুরের সম্বন্ধে নরেন্দ্রের নানা জল্পনা ও তাঁহাকে বুঝিবার সঙ্কল্প
নরেন্দ্রের সহিত ঠাকুরের পরিচিতের ন্যায় ব্যবহার
নরেন্দ্রনাথের তৃতীয়বার আগমন
সমাধিস্থ ঠাকুরের স্পর্শে নরেন্দ্রের বাহ্যসংজ্ঞার লোপ
ঐরূপ অবস্থাপ্রাপ্ত নরেন্দ্রকে ঠাকুরের নানা প্রশ্ন
নরেন্দ্রনাথের সম্বন্ধে ঠাকুরের অদ্ভুত দর্শন
অদ্ভুত প্রত্যক্ষের ফলে নরেন্দ্রের ঠাকুরের সম্বন্ধে ধারণা
উহার ফলে নরেন্দ্রের গুরুবিষয়ক ধারণার পরিবর্তন
ঠাকুরের সংসর্গে নরেন্দ্রের ত্যাগ-বৈরাগ্যের ভাববৃদ্ধি
পরীক্ষা না করিয়া ঠাকুরের কোন কথা গ্রহণ না করিবার নরেন্দ্রের সঙ্কল্প
নরেন্দ্রের অতঃপর অনুষ্ঠান
নরেন্দ্রের বর্তমান মানসিক অবস্থা

§ পঞ্চম অধ্যায়: ঠাকুরের অহেতুক ভালবাসা ও নরেন্দ্রনাথ
নরেন্দ্রের পূর্ব-জীবনের অসাধারণ প্রত্যক্ষসমূহ - নিদ্রার পূর্বে জ্যোতিঃদর্শন
দেশ-কাল-পাত্রবিশেষ-দর্শনে পূর্বস্মৃতির উদয়
ঠাকুরের দৈবীশক্তি প্রত্যক্ষ করিয়া নরেন্দ্রের জল্পনা ও বিস্ময়
নরেন্দ্র কতদূর উচ্চ অধিকারী ছিলেন
নরেন্দ্রের প্রতি ঠাকুর কতদূর আকৃষ্ট হইয়াছিলেন
প্রথম দিবসে নরেন্দ্রকে ব্রহ্মজ্ঞ-পদবীতে আরূঢ় করাইবার ঠাকুরের চেষ্টা
নরেন্দ্রের প্রথম ও দ্বিতীয় দিবসের অদ্ভুত প্রত্যক্ষের মধ্যে প্রভেদ
নরেন্দ্রের সম্বন্ধে ঠাকুরের ভয়
ঠাকুরের নরেন্দ্রের প্রতি অসাধারণ আকর্ষণের কারণ
উক্ত আকর্ষণ উপস্থিত হওয়া যেন স্বাভাবিক ও অবশ্যম্ভাবী
নরেন্দ্রের প্রতি ঠাকুরের ভালবাসা সাংসারিক ভাবের নহে
উক্ত ভালবাসা সম্বন্ধে স্বামী প্রেমানন্দের কথা
স্বামী প্রেমানন্দের প্রথম দিন দক্ষিণেশ্বরে আগমন ও ঠাকুরকে নরেন্দ্রের জন্য উৎকণ্ঠিত দর্শন
ঠাকুরের সারারাত্র দারুণ উৎকণ্ঠা দর্শনে প্রেমানন্দের চিন্তা
নরেন্দ্রের প্রতি ঠাকুরের ভালবাসা সম্বন্ধে বৈকুণ্ঠনাথের কথা
ঠাকুরের বিশেষ ভালবাসার পাত্র হইয়াও নরেন্দ্রের অচল থাকা তাঁহার উচ্চাধিকারিত্বের পরিচয়

§ ষষ্ঠ অধ্যায় - প্রথম পাদ: ঠাকুর ও নরেন্দ্রনাথের অলৌকিক সম্বন্ধ
নরেন্দ্র ঠাকুরের পূতসঙ্গ কতকাল লাভ করিয়াছিলেন
নরেন্দ্রের সহিত ঠাকুরের উক্ত কালের আচরণের পাঁচটি বিভাগ
অদ্ভুত দর্শন হইতে ঠাকুরের নরেন্দ্রের উপর বিশ্বাস ও ভালবাসা
নরেন্দ্রকে পরীক্ষা করিবার কারণ
ঠাকুর নরেন্দ্রকে যেভাবে দেখিতেন
নরেন্দ্রের সম্বন্ধে সাধারণের ভ্রমধারণা
ঠাকুরের নিকট হইতে গ্রন্থকারের নরেন্দ্রের প্রশংসা-শ্রবণ
প্রথম দর্শনদিবসে নরেন্দ্রের সম্বন্ধে গ্রন্থকারের ভ্রমধারণা
জনৈক বন্ধুর ভবনে নরেন্দ্রকে প্রথম দেখা
ঐ কালে নরেন্দ্রের বাহ্যিক আচরণ
বন্ধুর সহিত নরেন্দ্রের সাহিত্য-সম্বন্ধীয় আলাপ
উহার পরে ঠাকুরের নিকটে নরেন্দ্রের মহত্ত্বের পরিচয়লাভ
প্রথম দেখা হইতে ঠাকুরের নরেন্দ্রকে বুঝিতে পারা
উচ্চ আধার বুঝিয়া নরেন্দ্রকে প্রকাশ্যে প্রশংসা
নরেন্দ্রের অন্তর্নিহিত শক্তি সম্বন্ধে ঠাকুরের কথা
নরেন্দ্রের ঐ কথার প্রতিবাদ
নরেন্দ্রের তর্কশক্তিতে মুগ্ধ হইয়া ঠাকুরের জগন্মাতাকে জিজ্ঞাসা
ঐ বিষয়ক দৃষ্টান্ত - সাধারণ সমাজে ঠাকুরের নরেন্দ্রকে দেখিতে আসা
তাঁহার তথায় আগমনের ফল
জনতানিবারণ জন্য গ্যাস-নির্বাণ করা
নরেন্দ্রের ঠাকুরকে কোনরূপে বাহিরে আনয়ন ও দক্ষিণেশ্বরে পৌঁছাইয়া দেওয়া
তাহাকে ভালবাসিবার জন্য নরেন্দ্রের ঠাকুরকে তিরস্কার ও তাঁহার জগন্মাতার বাণী শুনিয়া আশ্বস্ত হওয়া

§ ষষ্ঠ অধ্যায় - দ্বিতীয় পাদ: ঠাকুর ও নরেন্দ্রনাথের অলৌকিক সম্বন্ধ
নরেন্দ্রের মহত্ত্ব সম্বন্ধে ঠাকুরের বাণী
মারোয়াড়ী ভক্তদিগের আনীত আহার্য নরেন্দ্রকে দান
নিষিদ্ধ দ্রব্য ভোজনে নরেন্দ্রের ভক্তিহানি হইবে না
ঠাকুরের ভালবাসায় নরেন্দ্রের উন্নতি ও আত্মবিক্রয়
শ্রীযুত ম - র সহিত নরেন্দ্রের তর্ক বাধাইয়া দেওয়া
ভক্ত শ্রীকেদারনাথ চট্টোপাধ্যায়
কেদারের তর্কশক্তি ও নরেন্দ্রের সহিত প্রথম পরিচয়
ঠাকুরের জিজ্ঞাসায় কেদারের সম্বন্ধে নরেন্দ্রের নিজমত প্রকাশ
সাকারোপাসনার জন্য নরেন্দ্রের তিরস্কার, রাখালের ভয় ও ঠাকুরের কথায় উভয়ের মধ্যে পুনরায় প্রীতিস্থাপন
অদ্বৈতবাদে বিশ্বাসী করিতে ঠাকুরের চেষ্টা ও নরেন্দ্রের প্রতিবাদ
প্রতাপচন্দ্র হাজরা
হাজরা মহাশয়ের বুদ্ধিমত্তায় নরেন্দ্রের প্রসন্নতা
নরেন্দ্রের দক্ষিণেশ্বরে আগমনে ঠাকুরের আচরণ
অদ্বৈততত্ত্ব সম্বন্ধে নরেন্দ্রের হাজরার নিকটে জল্পনা ও ঠাকুরের তাহাকে ভাবাবেশে স্পর্শ
উহার ফলে নরেন্দ্রের অদ্ভুত দর্শন
নরেন্দ্রের সহিত গ্রন্থকারের একদিবস আলাপের ফল
নরেন্দ্রের অদ্ভুত ঘটনার উল্লেখ
গ্রন্থকারের বাসস্থানে আসিয়া নরেন্দ্রের অপূর্ব উপলব্ধি

§ সপ্তম অধ্যায়: ঠাকুরের পরীক্ষাপ্রণালী ও নরেন্দ্রনাথ
ঠাকুরের অদ্ভুত লোক-পরীক্ষা
পরীক্ষা-প্রণালীর সাধারণ বিধি
উচ্চ অধিকারীর সহিত প্রথম সাক্ষাৎকালে ঠাকুরের অনুরূপ ভাবাবেশ
পরীক্ষা-প্রণালীর চারি বিভাগ
(১) শারীরিক লক্ষণসমূহ দর্শনে অন্তরের সংস্কারনির্ণয়
ঐ বিষয়ে ঠাকুরের অদ্ভুত জ্ঞান
হস্তের ওজনের তারতম্যে সদসৎ বুদ্ধি-নির্ণয়
শারীরিক নিত্যক্রিয়াসকলের বিভিন্নতায় সংস্কার-ভিন্নতার সূচনা
দ্বারবান্ হনুমান সিং
শারীরিক অবয়বগঠন ও ক্রিয়াদর্শনে বিদ্যা ও অবিদ্যাশক্তির নির্ণয়
নরেন্দ্রের শারীরিক লক্ষণ সম্বন্ধে ঠাকুরের কথা
(২) সামান্য কার্যে প্রকাশিত মানসিক ভাব দ্বারা এবং (৩) ঐরূপ কার্য দ্বারা প্রকাশিত কামকাঞ্চনাসক্তির তারতম্য বুঝিয়া অন্তরের সংস্কার-নিরূপণ
বালকদিগের সম্বন্ধে ঠাকুরের ধারণা
সমীপাগত ভক্তগণের প্রতিকার্য লক্ষ্য করা
ঐ বিষয়ক দৃষ্টান্তনিচয়
গঙ্গায় বান
ঈশ্বরলাভই জীবনের উদ্দেশ্য বুঝিয়া সকল কর্মের অনুষ্ঠান
সরল ঈশ্বরবিশ্বাস ও নির্বুদ্ধিতা ভিন্ন পদার্থ, সদসদ্বিচারসম্পন্ন হইতে হইবে
অধিকারিভেদে ঠাকুরের দয়াবান্ ও নির্মম হইবার উপদেশ
স্বামী যোগানন্দকে ঐ বিষয়ক শিক্ষা
ঐরূপ ঘটনাস্থলে নিরঞ্জনকে ঠাকুরের অন্যপ্রকার উপদেশ
স্ত্রী-ভক্তদিগকেও ঠাকুরের ঐভাবে শিক্ষাদানের দৃষ্টান্ত
হরিশের কথা
'দয়াপ্রকাশের স্থান উহা নহে'
দৈনিক সামান্য কার্যসকল লক্ষ্য করিয়া বিভিন্ন ব্যক্তিকে উপদেশ প্রদান
(৪) তাঁহাতে সর্বশ্রেষ্ঠ আধ্যাত্মিক প্রকাশ উপলব্ধি করিবার দিকে ব্যক্তিবিশেষ কতদূর অগ্রসর হইতেছে ঠাকুরের তাহা লক্ষ্য করা
শেষোক্ত উপায়ের দ্বারা ব্যক্তিবিশেষের আধ্যাত্মিক উন্নতির পরিমাণ নির্ণয় ঠাকুরের পক্ষে স্বাভাবিক কেন
'আমাকে কি মনে হয়' - ঠাকুরের এই প্রশ্নে নানা ভক্তের নানা মত প্রকাশ
ঐ বিষয়ক ১ম দৃষ্টান্ত - ভক্ত পূর্ণচন্দ্র ও 'ছেলেধরা মাস্টার'
পূর্ণের আগমনে ঠাকুরের প্রীতি ও তাহার উচ্চাধিকার সম্বন্ধে কথা
পূর্ণের সহিত ঠাকুরের সপ্রেম আচরণ
ঠাকুরের পূর্ণকে দেখিবার আগ্রহ ও তাহার সহিত দ্বিতীয়বার সাক্ষাৎকালে জিজ্ঞাসা - 'আমাকে তোর কি মনে হয়?'
পূর্ণের উত্তরে ঠাকুরের আনন্দ ও তাহাকে উপদেশ
সংসারী পূর্ণের মহত্ত্ব
দ্বিতীয় দৃষ্টান্ত - বৈকুণ্ঠনাথকে ঠাকুরের ঐ বিষয়ক প্রশ্ন ও তাহার উত্তর
কথায় ও কার্যে যাহার মিল নাই তাহাকে বিশ্বাস করিতে নাই
ঐ বিষয়ে ঠাকুরের গল্প - বৈদ্য ও অসুস্থ বালক
ভক্তগণের ঠাকুরকে পরীক্ষা
১ম দৃষ্টান্ত - যোগানন্দ স্বামীর কথা
যোগীন্দ্রের পুণ্য সংস্কারসমূহ ও বুদ্ধিমত্তা
ঠাকুরের কথা - যোগীন্দ্র ঈশ্বরকোটি ভক্ত
যোগীন্দ্রের বিবাহ, মনস্তাপ ও ঠাকুরের নিকটে গমনে বিরত হওয়ায় ঠাকুরের কৌশলপূর্বক তাহাকে আনয়ন ও সান্ত্বনা
যোগীন্দ্রের দক্ষিণেশ্বরে রাত্রিবাস
ঠাকুরের প্রতি সন্দেহ
যোগীন্দ্রের সংশয়ের মীমাংসা
যোগীন্দ্রের গুরুপদে আত্ম-সমর্পণ
নরেন্দ্রের কার্য লক্ষ্য করিয়া ঠাকুর তাঁহার সম্বন্ধে যেরূপ ধারণা করেন
রহস্যজনক ঘটনা - চামচিকাকে চাতক নির্ণয়
নরেন্দ্রের সংযম
শারীরিক লক্ষণ দেখিয়া নরেন্দ্রের অন্তরের ভক্তির পরিমাণ নির্ণয়
ঠাকুরের উদাসীনতায় নরেন্দ্রের আচরণ
ঈশ্বরদর্শনের আগ্রহে নরেন্দ্রের অণিমাদি বিভূতি প্রত্যাহার

§ অষ্টম অধ্যায় - প্রথম পাদ: সংসারে ও ঠাকুরের নিকটে নরেন্দ্রনাথের শিক্ষা
আপনাতে স্ত্রীভাবের ও নরেন্দ্রে পুরুষভাবের প্রকাশ বলিয়া ঠাকুর নির্দেশ করিতেন - উহার অর্থ
নরেন্দ্রের পারিপার্শ্বিক অবস্থানুগত শিক্ষা, স্বাধীন চিন্তা, সংশয়, গুরুবাদ অস্বীকার করা
পিতার জীবন ও সমাজের ঐরূপ শিক্ষায় সহায়তা
পাশ্চাত্য ন্যায়, বিজ্ঞান ও দর্শনশাস্ত্রে অভিজ্ঞতা লাভ করিয়াও নরেন্দ্রের সত্যলাভ হইল না বলিয়া অশান্তি
নরেন্দ্রের সন্দেহ - প্রাচ্য অথবা পাশ্চাত্য, কোন্ প্রথানুসারে তত্ত্বানুসন্ধানে অগ্রসর হওয়া কর্তব্য
ঈশ্বর বা চরম সত্যলাভের সঙ্কল্প দৃঢ় রাখিয়া নরেন্দ্রের পাশ্চাত্য প্রথার গুণভাগমাত্র গ্রহণ
অদ্ভুত দর্শন ও শ্রীগুরুর কৃপায় নরেন্দ্রের আস্তিক্যবুদ্ধি এইকালে রক্ষিত হয়
নরেন্দ্রের সাধনা
নূতন প্রণালী অবলম্বনে সারারাত্র ধ্যান
ঐরূপ ধ্যানে অদ্ভুত দর্শন - বুদ্ধদেব

§ অষ্টম অধ্যায় - দ্বিতীয় পাদ: সংসারে ও ঠাকুরের নিকটে নরেন্দ্রনাথের শিক্ষা
এটর্নির কর্ম শিক্ষা
অখণ্ড ব্রহ্মচর্য পালনে ঠাকুরের নরেন্দ্রকে উপদেশ
নরেন্দ্রের বাটীর সকলের ভয় - সন্ন্যাসীর সহিত মিলিত হইয়া সন্ন্যাসী হইবে
ঠাকুরের নিকটে নরেন্দ্রের পূর্বের ন্যায় যাতায়াত
দক্ষিণেশ্বরে ঠাকুরের নিকটে যেভাবে দিন কাটিত তদ্বিষয়ে নরেন্দ্রের কথা
ভবনাথ ও নরেন্দ্রের বরাহনগরের বন্ধুগণ
পিতার সহসা মৃত্যুর কথা নরেন্দ্রের বরাহনগরে শুনা
নরেন্দ্রের সাংসারিক অবস্থার শোচনীয় পরিবর্তন
ঐ অবস্থা সম্বন্ধে নরেন্দ্রের কথা - চাকরির অন্বেষণ, পরিচিত ধনী ব্যক্তিদিগের অবজ্ঞা
দারিদ্র্যের পেষণ
রমণীর প্রলোভন
ঈশ্বরের নাম লওয়ায় মাতার তিরস্কার
অভিমানে নাস্তিক্য-বুদ্ধি
নরেন্দ্রের অধঃপতনে ভক্তগণের বিশ্বাস হইলেও ঠাকুরের অন্যরূপ ধারণা
ঘোর অশান্তি
অদ্ভুত দর্শনে নরেন্দ্রের শান্তি
সন্ন্যাসী হইবার সঙ্কল্প ও দক্ষিণেশ্বরে আগমনে ঠাকুরের অদ্ভুত আচরণ
ঠাকুরের অনুরোধে নিরুদ্দেশ হইবার সঙ্কল্প পরিত্যাগ
দৈব সহায়তায় দারিদ্র্য-মোচনের সঙ্কল্প ও সেজন্য ঠাকুরকে জেদ করায়, তাঁহার 'কালীঘরে' যাইয়া প্রার্থনা করিতে বলা
জগদম্বার দর্শনে সংসার-বিস্মৃতি
তিন বার 'কালীঘরে' আর্থিক উন্নতি প্রার্থনা করিতে গমন ও ভিন্ন ভাবের আচরণ
নরেন্দ্রের প্রতীক ও প্রতিমায় ঈশ্বরোপাসনায় বিশ্বাস ও ঠাকুরের ঐজন্য আনন্দ
ঠাকুরের ঐ বিষয়ক আনন্দ সম্বন্ধে বৈকুণ্ঠনাথের কথা
নরেন্দ্রকে ঠাকুরের বিশেষ আপনার জ্ঞানের পরিচায়ক দৃষ্টান্ত
নরেন্দ্রের সহিত বৈকুণ্ঠের কলিকাতায় আগমন

§ নবম অধ্যায়: ঠাকুরের ভক্তসঙ্ঘ ও নরেন্দ্রনাথ
ঠাকুরের বিশেষ ভক্তসকলের আগমন - ১৮৮৪ খ্রীষ্টাব্দের মধ্যে
ঐ সকল ভক্তের সহিত মিলনে ঠাকুরের আচরণ
অধিকারিভেদে ভক্তসকলকে দিব্যভাবাবিষ্ট ঠাকুরের স্পর্শ, মন্ত্রদান ইত্যাদি ও তাহার ফল
ঠাকুরের দিব্যস্পর্শে যাহা প্রমাণ করে
ভক্তসকলের ঠাকুরকে নিজ নিজ ভাবের লোক বলিয়া ধারণা ও ঠাকুরের তাহাদিগের সহিত আচরণ
ভক্তগণের অন্তরে উদারতা বৃদ্ধির সহিত ঠাকুরকে বুঝিতে পারিবার দৃষ্টান্ত - বলরাম বসু
ঠাকুরের দর্শনলাভে বলরামের উন্নতি ও আচরণ
বলরামের অহিংসা-ধর্ম সম্বন্ধীয় মতের পরিবর্তনে সংশয়
ঠাকুরের অদৃষ্টপূর্ব আচরণ লক্ষ্য করিয়া তাঁহার সন্দেহভঞ্জন
ঠাকুরের ভক্তসঙ্ঘ ও বালক ভক্তগণ
গৃহী ভক্তদিগকে ও নরনারী সাধারণকে ঠাকুর যেভাবে উপদেশ দিতেন
নরেন্দ্রকে ঠাকুরের সকল ভক্তাপেক্ষা উচ্চাসন প্রদান
ঠাকুরকে নরেন্দ্রের সর্বাপেক্ষা অধিক বুঝিতে পারিবার দৃষ্টান্ত - 'শিবজ্ঞানে জীবসেবা'
ঠাকুরের ঐ কথায় নরেন্দ্রের অদ্ভুত আলোক দর্শন ও তাহা বুঝাইয়া বলা

§ দশম অধ্যায়: পাণিহাটির মহোৎসব
নরেন্দ্রের শিক্ষকের পদ গ্রহণ
জ্ঞাতিগণের শত্রুতা, ঠাকুরের রোহিণীরোগ, শিক্ষকতা পরিত্যাগ
অধিক বরফ ব্যবহারে ঠাকুরের অসুস্থতা
অধিক কথা কহায় ও ভাবাবেশে রোগবৃদ্ধি
পাণিহাটির মহোৎসবের ইতিহাস
ঠাকুরের উক্ত মহোৎসব দেখিতে যাইবার সঙ্কল্প
উৎসবদিবসে যাত্রার পূর্বে
শ্রীশ্রীমাতাঠাকুরানীর না যাইবার কারণ
যাত্রাকালে ও উৎসবস্থলে পৌঁছিয়া যাহা দেখা গেল
মণি সেনের বাটী
মণিবাবুর ঠাকুরবাটী
ঠাকুরের ভাবাবেশ ও নৃত্য
রাঘব পণ্ডিতের বাটীতে যাইবার পথে
ভাবাবিষ্ট ঠাকুরের অপূর্ব শ্রী
ঠাকুরের দিব্যদর্শনে কীর্তন-সম্প্রদায়ের উৎসাহ ও উল্লাস
জনসাধারণের আকৃষ্ট হওয়া
মালসা ভোগ
নৌকায় প্রত্যাবর্তন ও নবচৈতন্যকে কৃপা
দক্ষিণেশ্বরে পৌঁছান - বিদায়কালে জনৈক ভক্তের সহিত ঠাকুরের কথা
রাত্রে আহারকালে শ্রীশ্রীমার সম্বন্ধে জনৈকা স্ত্রী-ভক্তের সহিত কথা
শ্রীশ্রীমার সহিত উক্ত ভক্তের কথা
স্নানযাত্রার দিবসে নানা লোকের সংসর্গে ঠাকুরের ভাবভঙ্গ ও বিরক্তি

§ একাদশ অধ্যায়: ঠাকুরের কলিকাতায় আগমন
পাণিহাটিতে যাইয়া গলায় বেদনাবৃদ্ধি ও বালক-স্বভাব ঠাকুরের আচরণ
গলায় ক্ষত হওয়া ও ডাক্তারের নিষেধ না মানিয়া ঠাকুরের সমীপাগত জনসাধারণকে পূর্ববৎ উপদেশ দান
বহু ব্যক্তিকে ধর্মোপদেশ দানের অত্যধিক শ্রম ও মহাভাবে নিদ্রারাহিত্যাদি ব্যাধির কারণ
ভাবাবেশ-কালে জগন্মাতার সহিত কলহে ঠাকুরের শারীরিক অবসন্নতার কথা প্রকাশ
দক্ষিণেশ্বরে কত ধর্মপিপাসু উপস্থিত হইয়াছিল তাহা নির্ণয় করা দুঃসাধ্য
নিজদেহরক্ষার কালনিরূপণ সম্বন্ধে ঠাকুরের কথা
ঠাকুরের শিবজ্ঞানে জীবসেবানুষ্ঠান
লোকের মনের গূঢ়ভাব ও সংস্কার ধরিবার ঠাকুরের ক্ষমতা
ঐ বিষয়ক দৃষ্টান্ত
ব্যাধির বৃদ্ধিতে ঠাকুরের গলার ক্ষত হইতে রুধির নির্গত হওয়া ও ভক্তগণের তাঁহাকে কলিকাতায় আনয়নের পরামর্শ
ঠাকুরের চিকিৎসার্থ কলিকাতায় আগমন ও বলরামের ভবনে অবস্থান
প্রসিদ্ধ বৈদ্যগণকে আনয়ন করিয়া ঠাকুরের রোগ নিরূপণ ও শ্যামপুকুরের বাটী ভাড়া
ঠাকুরকে দেখিবার জন্য বলরাম-ভবনে বহু ব্যক্তির জনতা
বলরাম-ভবনে একদিনের ঘটনা

§ দ্বাদশ অধ্যায় - প্রথম পাদ: ঠাকুরের শ্যামপুকুরে অবস্থান
শ্যামপুকুরের বাটীর পরিচয়
ডাক্তার মহেন্দ্রলাল সরকারের চিকিৎসার ভার গ্রহণ
পথ্য ও রাত্রে সেবার বন্দোবস্তের পরামর্শ
শ্রীশ্রীমাতাঠাকুরানীর লজ্জাশীলতার দৃষ্টান্ত
শ্রীশ্রীমাকে শ্যামপুকুরে আনিবার প্রস্তাব
শ্রীশ্রীমার দেশ-কাল-পাত্রানুযায়ী কার্য করিবার শক্তি
কামারপুকুর হইতে দক্ষিণেশ্বরে আসিবার পথ
শ্রীশ্রীমার পদব্রজে তারকেশ্বরে আগমনকালে ঘটনা
তেলোভেলোর প্রান্তরে
বাগ্দী পাইক ও তাহার পত্নী
তেলোভেলোয় রাত্রিবাস এবং পাইক ও তাহার পত্নীর যত্ন
তারকেশ্বরে পৌঁছিবার পরে ও পাইকের সহিত বিদায়কালে
শ্রীশ্রীমা শ্যামপুকুরে আগমনপূর্বক যে ভাবে বাস করিয়াছিলেন
বালক ভক্তগণের ঠাকুরের সেবার ভার গ্রহণ

§ দ্বাদশ অধ্যায় - দ্বিতীয় পাদ: ঠাকুরের শ্যামপুকুরে অবস্থান
গৃহী ভক্তগণের সেবার ভার গ্রহণ ও ঠাকুরের ভিতর মধ্যে মধ্যে অপূর্ব আধ্যাত্মিক প্রকাশ দেখা
গৃহী ভক্তগণের ঠাকুরের জন্য স্বার্থত্যাগের কথা
ভক্তসঙ্ঘ গঠন করাই ঠাকুরের ব্যাধির কারণ
ভক্তগণের ঠাকুরের সম্বন্ধে ধারণার শ্রেণীবিভাগ - যুগাবতার, গুরু, অতিমানব ও দেবমানব
ভক্তগণের পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা
ভক্তগণপরিদৃষ্ট ঠাকুরের আধ্যাত্মিক প্রকাশের দৃষ্টান্তসকল
ডাক্তার সরকারের ঠাকুরের প্রতি আকৃষ্ট হওয়া ও আচরণ এবং এক দিবসের কথোপকথন
ডাক্তারের সত্যানুরাগে সকল প্রকার অনুষ্ঠান
অপরা বিদ্যার সহায়ে পরাবিদ্যা লাভ
ঈশ্বরের 'ইতি' করাটা হীন বুদ্ধি
মন বুঝে প্রাণ বুঝে না
ভাবাবিষ্ট যুবকের নাড়ী পরীক্ষা
বিদ্যার গরম
পাণ্ডিত্যের অহঙ্কার
ডাক্তারের নিরভিমানতা
ভিতরে মাল আছে
ঠাকুরের ডাক্তারকে ধর্মপথে অগ্রসর করিয়া দিবার চেষ্টা
ঔষধে সম্যক্ ফল না পাওয়ায় ডাক্তারের চিন্তা ও আচরণের দৃষ্টান্ত
একটু অত্যাচার অনিয়মে কতটা অপকার হয় তাহার দৃষ্টান্ত
ডাক্তারের ঠাকুরের প্রতি শ্রদ্ধার বৃদ্ধি ও ভক্তগণের প্রতি ভালবাসা
ডাক্তারের অবতার সম্বন্ধীয় মত ও তাহার প্রতিবাদ - ৺দুর্গাপূজাকালে ঠাকুরের ভাবাবেশ দর্শনে ডাক্তারের বিস্ময়
রোগবৃদ্ধি
৺কালীপূজা-দিবসে ঠাকুরের অদ্ভুত ভাবাবেশের বিবরণ
পূজার আয়োজন
ঠাকুরের নীরবে অবস্থান
গিরিশচন্দ্রের মীমাংসা ও ঠাকুরের পাদপদ্মে পুষ্পাঞ্জলি প্রদান - ঠাকুরের ভাবাবেশ
ভাবাবিষ্ট ঠাকুরকে ভক্তগণের পূজা
পর্ববিশেষ ভিন্ন অন্য সময়ে ভক্তগণের ঠাকুর সম্বন্ধীয় প্রত্যক্ষের দৃষ্টান্ত
ঠাকুরকে শ্রদ্ধা-ভক্তি করায় বলরামের আত্মীয়বর্গের অপ্রসন্নতা
বলরামের ঠাকুরের নিকট গমন-নিবারণে তাঁহাদিগের চেষ্টা
বলরামের পূর্বজীবন
বলরামের কলিকাতায় আগমন ও ঠাকুরকে দর্শন
বলরামের ভ্রাতা হরিবল্লভের কলিকাতা আগমন
বলরামের প্রতি কৃপায় ঠাকুরের হরিবল্লভকে দেখিবার সঙ্কল্প
গিরিশচন্দ্রের হরিবল্লভকে আনয়ন ও ঠাকুরের আচরণে তাঁহার সম্পূর্ণ বিপরীতভাবাপন্ন হওয়া
আলাপ করিবার কালে ঠাকুরের অপরকে স্পর্শের কারণ ও ফল
ভক্ত-সংখ্যার বৃদ্ধি; সাধনপথ নির্দেশ - সাকার ও নিরাকার চিন্তার উপযোগী আসন
ঠাকুরের প্রতি কার্যের মাধুর্য ও অসাধারণত্ব দেখিয়া অনেকের আকৃষ্ট হওয়া
দৃষ্টান্ত - উপেন্দ্র মুনসেফ
উপেন্দ্রের শ্যামপুকুরে আগমন ও ঠাকুরের সপ্রেম ব্যবহারে উপলব্ধি
ঈশ্বর সাকার নিরাকার দুই-ই - যেমন জল আর বরফ
রামদাদার কথায় অতুলের বিরক্তি

§ দ্বাদশ অধ্যায় - তৃতীয় পাদ: ঠাকুরের শ্যামপুকুরে অবস্থান
ঠাকুরের নিজ সূক্ষ্মশরীরে ক্ষতদর্শন - অপরের পাপভার গ্রহণ-কারণ ঐরূপ হওয়া ও উহার ফল
ভক্তগণের নবাগত ব্যক্তিসকলের সম্বন্ধে নিয়মবন্ধন
কালীপদের সাহায্যে অভিনেত্রীর ঠাকুরকে দর্শন
ভক্তগণের মধ্যে ভাবুকতা বৃদ্ধির কারণ
উহার বৃদ্ধিবিষয়ে গিরিশের অনুসরণে রামচন্দ্রের চেষ্টা
বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর ঐ বিষয়ে সহায়তা
নরেন্দ্রের ঐ বিষয় খর্ব করিয়া ভক্তদিগের মধ্যে ত্যাগ-সংযমাদি-বৃদ্ধির চেষ্টা - ঠাকুর ঐ চেষ্টা করেন নাই কেন
জীবনে স্থায়ী পরিবর্তন আনেনা বলিয়া ভাবুকতার মূল্য অল্প
অশ্রুপুলকাদি শারীরিক বিকৃতির মধ্যে অনেক সময় কৃত্রিমতা থাকে
কোন কোন ভক্তের আচরণ দেখিয়া নরেন্দ্রের কথায় বিশ্বাস
ভাবুকতা লইয়া নরেন্দ্রের ব্যঙ্গ-পরিহাস - দানা ও সখী
ভাবুকতার স্থলে যথার্থ বৈরাগ্য ও ঈশ্বরপ্রেম প্রতিষ্ঠা করিবার চেষ্টা
ঠাকুরকে ভালবাসিলে তাঁহার সদৃশ জীবন হইবে
ভক্তগণকে নূতন তত্ত্বসকল পরীক্ষাপূর্বক গ্রহণ করাইবার চেষ্টা
মহিম চক্রবর্তীর লোকমান্যলাভের লালসা
জ্ঞানী মহিমের ব্যাঘ্রাজিন
মহিমের গুরু
মহিমবাবুর ধর্ম-সাধনা
শ্যামপুকুরে মহিমাচরণ
মহিম ও নরেন্দ্রের তর্ক
নরেন্দ্রের যথার্থ সাধকসকলকে সমান জ্ঞান করিতে শিক্ষা দেওয়া
খৃষ্টান ধর্মযাজক প্রভুদয়াল মিশ্র
ঠাকুরের ব্যাধির বৃদ্ধি ও ভক্তগণের তাঁহাকে কাশীপুর উদ্যানে লইয়া যাওয়া

§ পরিশিষ্ট
কাশীপুরের উদ্যান-বাটী
কাশীপুরে সেবাব্রত
আত্মপ্রকাশে অভয়-প্রদান

Go to top